২৪টি পৌরসভার মধ্যে মেয়রপদে সিলেটের ২টি সহ ১৭টিতে আওয়ামী লীগ,

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • Update Time : বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৪৮ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ প্রথম ধাপের পৌরসভা  নির্বাচনের ভোট সম্পন্ন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ধারেকাছেও নেই আর কোনো দল। ২৪টি পৌরসভার মধ্যে মেয়রপদে সিলেটের দুটিসহ ১৭টিতে আওয়ামী লীগ, তিনটিতে স্বতন্ত্র এবং দুটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রাথমিকভাবে জয়লাভ করেছেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে যারা মেয়র পদে জয়লাভ করেছেন তারা হলেন- বরগুনার বেতাগী পৌরসভায় এবিএম গোলাম কবির, নেত্রকোনার মদনে সাইফুল ইসলাম সাইফ, চুয়াডাঙ্গায় জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন, মানিকগঞ্জে মো. রমজান আলী, কুড়িগ্রামে কাজিউল ইসলাম, ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এস এম ইকবাল হোসেন সুমন, মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, কুষ্টিয়ায় তারিকুল ইসলাম, পঞ্চগড়ে জাকিয়া খাতুন, রংপুরের বদরগঞ্জে আহসানুল হক চৌধুরী টুটুল, বরিশালের বাকেরগঞ্জে লোকমান হোসেন ডাকুয়া ও উজিরপুরে গিয়াস উদ্দিন, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মনির আক্তার খান তরু লোদী, সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বিশ্বজিৎ, রাজশাহীর কাটাখালি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আব্বাস আলী, পাবনার চাটমোহরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো ও চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদিউল আলম।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেছেন তারা হলেন- কুয়াকাটা পৌরসভায় মো. আনোয়ার হাওলাদার, ঠাকুরগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক এবং দিনাজপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মাহামুদ আলম লিটন।

বিএনপির প্রার্থী হিসেবে যারা মেয়রপদে জয়লাভ করেছেন তারা হলেন- হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে মো. ফরিদ আহমেদ ও রাজশাহীর পুঠিয়ায় আল মামুন।

এছাড়া ঢাকার ধামরাইয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম কবির এগিয়ে থাকলেও মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) ফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় ২৪টি পৌরসভায় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা চলে ভোটগ্রহণ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা