কানাইঘাটে বিরল প্রজাতির একটি শকুন উদ্ধার-

মোহাম্মদ হানিফ হোসেন সিলেট ভ্যালি প্রতিনিধি, 
  • Update Time : শুক্রবার, ১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩০৭ Time View

চা শ্রমিক ডটকম; সিলেটের কানাইঘাটে বিলুপ্তপ্রায় বিরল প্রজাতির একটি শকুন উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের ভাটিদিহি (বাটইশাইল) গ্রামের বাসিন্দা মাস্টার বদরুজ্জামানের বাড়ির ঝোপঝাড়ে একটি বিরল প্রজাতির শকুন অসুস্থ অবস্থায় মাটিতে নেমে আসে। এ সময় বাড়ির লোকজন পাখিটি দেখে বদরুজ্জামানকে জানালে তিনি প্রতিবেশী কানাইঘাট সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক রশিদ আহমদকে জানান।

 

শকুনটি অসুস্থ অবস্থায় উড়তে না পারায় এলাকার লোকজনের সহায়তায় পাখিটি উদ্ধার করে বদরুজ্জামানের বাড়িতে রেখে পাখিটির সেবাযত্ন করেন। পরবর্তীতে বদরুজ্জামান ও রশিদ আহমদ বিলুপ্তপ্রায় বিরল প্রজাতির পাখিটিকে চিকিৎসার জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে নিয়ে যান।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন বলেন, এটি একটি বিলুপ্তপ্রায় বিরল প্রজাতির শকুন। ওজন ৮ কেজি ৩০০ গ্রাম। আমরা অসুস্থ শকুনটি নিয়ে আসার পর প্রাথমিক চিকিৎসাসহ খাবার দিয়েছি এবং পর্যবেক্ষণে রেখেছি। উপজেলা বিট কর্মকর্তাসহ সিলেটের বন্যপ্রাণী অফিসে যোগাযোগ করেছি। পাখিটি সুস্থ হলে বন কর্মকর্তার মাধ্যমে অবমুক্ত করা হবে।

 

পাখিটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার জন্য মাস্টার বদরুজ্জামান ও প্রভাষক রশিদ আহমদকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা