সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংঘের আত্মপ্রকাশ সেন্ট্রাল কমিটি গঠন

বিশেষ প্রতিবেদক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ২৭৯ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সিলেট জেলার লোকদের নিয়ে ‘সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংঘ’ নামে একটি অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।

 

সম্প্রতি প্রবাসে অবস্থানরত সিলেটীদের এক সভায় এটি গঠিত হয়। অনলাইন জুম মিটিংয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা মনসুর আহমদ। ওমান প্রবাসী আমিনুর রশীদ আনিছ এর সঞ্চালনায় এতে দেশ ও বিদেশের বিপুল সংখ্যক লোকজন অংশ নেন।

 

সভায় বক্তব্য রাখেন- প্রভাষক আসাদুল আলম চৌধুরী, আব্দুর রব (ইতালি), সেলিম উদ্দিন (ইতালি), নজির আহমদ (ফ্রান্স), আবুল চৌধুরী সাজু, মিনহাজ উদ্দিন খান, মুন্সি দেলোয়ার হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুস শহীদ চৌধুরী, শাহ আলম, কাজী গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শামীম আহমদ, শাওন সুলতান, রমিজ উদ্দিন, শাকিল আহমদ প্রমুখ।

 

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মনসুর আহমদ শাহনুরকে আহবায়ক ও ওমান প্রবাসী আমিনুর রশিদ আনিসকে সদস্য সচিব করে সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংঘের সেন্ট্রাল আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- যুগ্ম আহবায়ক ইতালি প্রবাসী আব্দুর রব, যুগ্ম আহবায়ক ইতালি প্রবাসী সেলিম উদ্দিন ও যুগ্ম আহবায়ক ফ্রান্স প্রবাসী নজির আহমদ। উক্ত আহবায়ক কমিটি স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পূর্নাঙ্গ কমিটি ও দেশে দেশে আঞ্চলিক কমিটি গঠন করবে।

 

সভায় বক্তারা বলেন- সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংঘ একটি সম্পুর্ন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এটি মুলত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এটি প্রবাসীদের দ্বারা পরিচালিত হবে। তারা আরো বলেন, এটি বৃহত্তর সিলেটের সকল প্রবাসীদের একটি সংগঠন। বিশ্বের যে কোনো দেশে অবস্থানরত কোনো প্রবাসী কোনো প্রকার সমস্যায় পড়লে তা সমাধানের চেষ্টা করা, প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলা, আর্ত-মানবতার সেবা সহ সকল বৈধ সামাজিক কাজে অংশগ্রহন করা, প্রবাসীদের সকল প্রকার মৌলিক অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভুমিকা রাখা সহ বহুবিধ কর্মকান্ডের উদ্দেশ্যে এটি গঠিত হয়। সভায় বক্তারা বলেন, এ সংগঠন সম্পুর্ন অরাজনৈতিক একটি সংস্থা। এটি বিভেদ বিতর্কের উর্ধ্বে থেকে দেশ ও প্রবাসের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এবং দেশ ও মানুষের কল্যণে   অগ্রণী ভুমিকা পালন করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা