ইঞ্জিনিয়ার আ: নূর স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনালে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন লিটন মুন্ডা, চুনারুঘাট প্রতিনিধি

লিটন মুন্ডা,লস্করপুর ভ্যালী প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৯০৯ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ আজ ১৫ ই ফেব্রুয়ারি শনিবার হবিগন্জের চুনারুঘাট উপজেলার ১ নং অাহম্মাদাবাদ ইউনিয়নে বিকাল ৪ টায় বাল্লা মাঠে ” ইঞ্জিনিয়ার আঃ নূর স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট,, এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খেলার শেষে আলোচনা সভায় বিশিষ্ট মুরুব্বি আব্দুল হাসিমের সভাপতিত্বে ও ইউপি সদস্য এর পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন-চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান – আলহাজ্ব আব্দুল কাদির লস্কর, প্রধান অালোচ্যক ছিলেন সারা বাংলাদেশের অন্যতম সমাজ সেবক – ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন-চুনারুঘাট পৌর মেয়র মোঃ নাজিম উদ্দিন সামসু, চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাজমুল হক, ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির খাঁন, চুনারুঘাট পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তাহের মহালদার, সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর খাঁন, রিচি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়া মোঃ ইলিয়াস, গাজীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মালেক মাষ্টার, এজেডটি একাডেমির পরিচালক নুরুজ্জামান তরফদার স্বপন, সমাজসেবক রুবেল আহমেদ, আহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাবরু সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক মন্ডলী এবং হাজারো ফুটবল ভক্ত দর্শকমণ্ডলী।

দীর্ঘদিনের প্রতিযোগীতার প্রতিদ্বন্দ্বীতার সাথে যুদ্ধ করে ফাইনালে অংশ গ্রহণ করে শায়েস্তাগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লা বনাম গাজীপুর আশরাফ মুহুরী একাদশ। দুই দলের মাঝে চরম উত্তেজনার হাডাহাড্ডির লড়াইয়ের পরে ১-০ গোলে গাজীপুর আশরাফ মুহুরী একাদশ বিজয়ী হয় । উক্ত টুর্নামেন্টে দেশী-বিদেশী খেলোয়াড় অংশ গ্রহণ করেন।

উক্ত টুর্নামেন্টে অর্থায়ন করেন তরুণ সমাজ সেবক ও বিনিয়োগ ব্যাংকার রায়হান উদ্দীন । ফাইনালের চ্যাম্পিয়ান দল একটি নতুন মোটরসাইকেল এবং রানার্সআপ দল একটি ষাঁড় পেয়েছেন। এছাড়াও চুনারুঘাটের সাবেক কৃতি খেলোয়াড়দের সন্মাননা স্মারক প্রধান করা হয় হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা