নালুয়া ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের কমিটি গঠন সভাপতি নটবর সেক্রেটারি দেবদাস

লিটন মুন্ডা,লস্করপুর ভ্যালী প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৮৭৯ Time View

আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধ্যায় চুনারুঘাটের ২ নং আহমদাবাদ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে বিগত সভার কার্ষবিবরনী অনুমোদন ও আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত হয়। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু নাসেরের পরিচালনায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে সর্বসম্মতিক্রমে ৯ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার নটবর রুদ্র পাল কে সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত অার্মি সদস্য দেবদাস উরাং কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। কমিটিতে আরো স্থান পায় সহ-সভাপতি – রামেশ্বর ভূমিজ, আব্দুল হক, সহকারী সাধারণ সম্পাদক – রতন মুন্ডা, সাংগঠনিক সম্পাদক – ডা: ধীরেন্দ্র মুন্ডা।

উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন ২ নং আহম্মাদাবাদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান ও উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক – আবেদ হাসনাত চৌধুরী সন্জু , উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং অত্র ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু সজল দাস, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, সমাজসেবক ২ নং আহম্মাদাবাদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী – জাকির হোসেন পলাশ, মো: দুলাল ভূঁইয়া, শেখ দেলোয়ার, সাংবাদিক লিটন মুন্ডা সহ অাওয়ামীলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা