করোনা ভাইরাসের কারনে সিলেটের অসহায় পরিবারের পাশেঃ- পররাষ্ট্রমন্ত্রী-

মোহাম্মদ হানিফ,হাবিবনগর চা বাগান
  • Update Time : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০
  • ৮২৩ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ- বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ দূর্দিন অতিক্রম করছে। চীনে সৃষ্টি হওয়া ‘করোনাভাইরাস’ পরিণত হয়েছে মহামারিতে। চীন থেকে একে একে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে।
বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়েছে অনেক। দিনে দিনে বাড়ছে ‘করোনা’ ভাইরাসে আক্রান্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী। সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া হচ্ছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। লকডাউনে যাচ্ছে বাংলাদেশ। যার ফলে বিপাকে পড়তে যাচ্ছে দিনমজুর মানুষেরা।

এমন মহূর্তে, নিজ উদ্যোগে সিলেটের ২৭টি ওয়ার্ডের প্রায় সাড়ে ৩শত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, এমপি। আজ মঙ্গলবার লকডাউনের পূর্বেই প্রথম ধাপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের পক্ষ থেকে সিলেটের অসহায় পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয় চাল, ডাল, পেয়াজ, তেল, সাবান সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে জাতীয় ক্রান্তিলগ্নে কঠিন সময় যাচ্ছে সর্ব শ্রেণির মানুষের। বিশেষ করে আমার দেশের দিনমজুর ও খেটে খাওয়া পরিবার সমূহ। এমতাবস্থায়, তাদের যেন বাইরে বের হতে না হয় এবং খাদ্যাভাব দেখা না দেয় তাই আমার এই উদ্যোগ।

আমরা যারা সচ্ছল রয়েছি, সবাই পাশে দাঁড়াই এই অসহায় মানুষের। দেশের এই দূর্যোগ মুহূর্তে কষ্ট ভাগাভাগি করে নেই। সবাই সচেতন ও সতর্কতা অবলম্বন করি এই মহামারিতে। আমাদের সচেতনতা, ইনশাআল্লাহ রুখে দিবে এই দূর্যোগ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা