লকডাউনের মধ্যে চরম অস্থির ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে ইতালি।

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২০
  • ৪৩৮ Time View

বিশেষ প্রতিবেদনঃ লকডাউনের মধ্যে চরম অস্থির ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে ইতালি। দেখা দিয়েছে চরম দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষ। অভাবের তাড়নায় দিশেহারা জনগণ। লুটপাট শুরু হয়ে গেছে দেশটির অনুন্নত অংশ সিসিলি দ্বীপে।

দ্বীপজুড়ে শপিংমল ও সুপারমার্কেটগুলোতে হামলা চালাচ্ছে স্থানীয়রা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে দেশটির পুলিশ বাহিনী। এদিকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ভেঙে পড়েছে ইতালির স্বাস্থ্যব্যবস্থা।

৯২ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্তকে চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন দেশটির স্বাস্থ্যকর্মীরা। এর মধ্যে রোগীদের সুস্থ করে তোলার কাজে নিয়োজিত ৬ হাজারের বেশি স্বাস্থ্যকর্মীও আক্রান্ত হয়েছেন করোনাভাইরাসে। আর চিকিৎসকদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে।

সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ইতালিতে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২ হাজার ৪৭২ জনে।

মহামারী ঠেকাতে ১২ মার্চ থেকে লকডাউনে পুরো ইতালি। তিন সপ্তাহের মাথায় গত বৃহস্পতিবার থেকে খারাপ হতে থাকে সিসিলি দ্বীপের পরিস্থিতি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লা রিপাবলিকা জানিয়েছে, এদিন একদল

স্থানীয় জনতা পালেরমো এলাকার একটি সুপারমার্কেটে ঢুকে পড়ে। এরপর সেখানকার সব মালামাল নিয়ে বেরিয়ে যায় তারা। এ

সময় তারা বলে, ‘আমাদের কোনো টাকা নেই। কিন্তু আমরা ক্ষুধার্ত। আমাদের খেতে হবে।’

লুটপাট ঠেকাতে বন্দুক কেনার হিড়িক : করোনা মহামারীর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনার হিড়িক পড়েছে। অস্ত্র কিনতে দোকানের সামনে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন পড়ছে প্রতিনিয়ত।

কারণ হিসেবে ক্রেতারা বলছেন, করোনার প্রাদুর্ভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। ফলে লুটেরাদের উৎপাত বাড়বে। তাই নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্র কিনে রাখছেন তারা। সরবরাহ কম থাকায় কিছু খুচরা বিক্রেতা সেভাবে অস্ত্র বিক্রি করছেন না।

এ কারণে দোকানের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে কেনার পাশাপাশি অনলাইনেও অর্ডার দিয়ে অস্ত্র কিনছেন

অনেকে। ইউএসএ টুডে’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শুরু থেকেই অস্ত্র কেনাকাটা বেড়ে গেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার কালভার সিটিতে মার্টিন রেটিং গানস নামের এক অস্ত্রের দোকান খোলার আগেই বাইরে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন ক্রেতারা।

লস অ্যাঞ্জেলসের বাসিন্দা ড্রিউ প্লোটকিন বলেন, সবাই ভয় পাচ্ছে। সারা বিশ্বের মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। এ রকম বাজে পরিস্থিতি থেকে নিজেদের রক্ষা করতে চাইছে সবাই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা