সিলেটে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস পরীক্ষা আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হচ্ছে।

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ৭৯২ Time View

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস পরীক্ষা আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হচ্ছে।

এ জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে স্থাপিত পলিমার্স চেইন রিঅ্যাকশান (পিসিআর) ল্যাব পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে মাত্র কয়েকঘন্টা পর সিলেটের মানুষের বড় এক অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে। তিন চার ঘণ্টার মধ্যেই মানুষ জানতে পারবে করোনা আক্রান্ত কি-না।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেটের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান। তিনি জানান, সিলেটে মঙ্গলবার শতাধিক মানুষের করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।

জানা গেছে, সোমবার সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের যাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে মঙ্গলবার সেগুলো ওসমানী মেডিকেল কলেজের ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। এখন থেকে সিলেটের আর কারো নমুনা ঢাকায় পাঠানো লাগবে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অফিসে করোনা পরীক্ষার কাজে দুইটি গাড়ী দিয়েছে। এ দুইটি গাড়ী প্রতিদিন সিলেট বিভাগের চার জেলা থেকে সংগৃহীত নমুনা সংগ্রহ করবে।

সোমবার রাতেই সুনামগঞ্জের রোগীদের নমুনা সংগ্রহের জন্য একটি গাড়ী পাঠানো হয়েছে। অপর গাড়ী পাঠানো হয়েছে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করার জন্য। আর সিলেট জেলার সকল উপজেলার নমুনা সংগ্রহ করা হবে মঙ্গলবার সকালেই।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই ওসমানী মেডিকেল কলেজে স্থাপিত ল্যাবে জমা করা হবে সংগৃহীত এসব নমুনা।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ সুত্র জানায়, কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের একটি কক্ষে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। স্থাপিত এ ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হলে মাত্র ৩/৪ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যাবে। একসাথে প্রায় ৯৬ জনের পরীক্ষা করা যাবে এবং প্রতিটি উপজেলার জন্যে আলাদা ব্যবস্থা রাখা আছে।

করোনাভাইরাস শনাক্তকরনের জন্য ফোকাল পার্সন হিসেবে মেডিকেলের সহকারী অধ্যাপক ডা. প্রেমানন্দ দাস কাজ করবেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে সাড়ে ৮টার দিকে মেশিনটি সিলেট এসে পৌঁছে। এরপর থেকে ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা