৩০হাজার টাকায় খাদিমনগরে চাঁদাবাজি দামাচাপা দেয়ার চেষ্টা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
  • ৭৯২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:গত ১৭ ও ১৮মে হতে “চেঙ্গেরখাল নদীতে নৌযান হতে চাঁদাবাজি এবং নৌযানে চাঁদাবাজি: অন্তরালে দিলোয়ার চেয়ারম্যান” শিরোনামে সিলেটের স্হানীয় বেশ কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় চেয়ারম্যানের মদদে ও ছত্রছায়ায় গড়ে উঠা ঐ চক্রের চাঁদাবাজীর সংবাদ প্রকাশ হলে এই গোপন বিষয়টি দেশ-বিদেশের সকলের সামনে উঠে আসে,এতে বিপাকে পড়েন চেয়ারম্যান ও চাঁদাবাজ চক্র।তারা বিভিন্ন ভাবে সংবাদকর্মীদের মেনেজ করতে প্রাণপন চেষ্টা চালান।অনেক চেষ্টার পর গতকাল রাতে সংবাদটি প্রথম যে পত্রিকায় প্রকাশ হয় সেই পত্রিকার সম্পাদককে 

সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে ঐ চাঁদাবাজ চক্রের সাথে জড়িত সাহেবের বাজার এলাকার একজন ধান্দাবাজ সংবাদকর্মীকে দিয়ে ৩০হাজার টাকায় দহরম মহরম করে চাঁদাবাজি দামাচাপা দেয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ক্রাইম সিলেট নামে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের সাংবাদিক এই সত্য ঘটনা তুলে ধরলে চাঁদা আদায়কারী শাহ্ জালাল এন্টারপ্রাইজের পরিচালক
টিলা পাড়ার সাইদুল ইসলাম তখন প্রতিবেদকের কাছে “চাঁদা তুলার কথা স্বীকার করে” ইউনিয়নের টেক্স তুলছেন বলে তিনি প্রতিবেদককে জানান। ক্রাইম নিউজ পোর্টালের স্কিনশর্ট নিম্নে দেয়া হলো-

তবে,একি বিষয়ে জাতীয় পত্রিকা দৈনিক দিগন্তর সিলেটের প্রতিনিধি ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বক্তব্য নিতে চাইলে চেয়ারম্যান নিজেই ফোন রিসিভ করে তা অস্বীকার করেন।এবং প্রেস রিলিজেও চাঁদা আদায়ের বিষয়ে তিনি জড়িত নয় বলে জানান।চাঁদা আদায়কারী চক্রের সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই বলে ও অস্বীকার করেন প্রেস রিলিজের।নিম্নে জাতীয় দৈনিক দিগন্তর পত্রিকার –

 

তথ্য অনুসন্ধান করে জানা গেছে,একটি সত্য ঘটনা দামাচাপা দিতে তারা সব ধরণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং বিভিন্ন পত্রিকায় প্রেস রিলিজ দিয়ে নিজেকে ফেরেশতা বলে বহি:প্রকাশ করতে মরিয়া হয়ে উঠছেন চেয়ারম্যান ও নৌকা হতে চাঁদা আদায়কারী ঐ চক্র।

আজ সরজমিনে খাদিমনগর ইউনিয়নের চেঙ্গেরখাল নদীর তীর ঘেষে গড়ে উঠা বসতি টুকের গাঁও গ্রামের নৌকা ঘাটে গেলে উঠে আসে অজানা আরো অনেক সত্য ও বাস্তব তথ্য।টুকের গাঁও গ্রামের একজন কৃষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে
জানান,তারা তো ভাই বারো মাসই চাঁদা তুলে,কিন্তু আমরা নিরিহ মানুষ ভাই,ইতা বিষয়ে মাততাম চাইনা।আপনারা যা হুনচইন তা সত্য,পত্র পত্রিকাতে ইতা আইলে তারা আর ঘাটে আয়না,কয়দিন গিয়া সবতা ঠান্ডা অইলে তঅউ আবার আইয়।আইন যেন পাকানিত একদিন আইছন বাটে।তও সরজমিনে তারারে পাইবা,ইনো সব আইন।এমন সহজ স্বীকারাক্তি দিলেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে টুকের গাঁও গ্রামের বাসিন্দা।

এই চাঁদাবাজ চক্র প্রতিদিন১৫থেকে ২০হাজার টাকা চাঁদা তুলে বলে ধারণা দেন একজন যুবক।তিনি আরো জানান,
নাম কইতে শুধু আমাদের ভয় লাগে,তারা মারধর করবে আমার নাম শুনলে,কিন্তু নিরিহ নৌকার মাঝিদের কান্না দেখলে কষ্ট লাগে ভাই আমাদের,আপনারও কষ্ট লাগবে বলেন প্রতিবেদককে।

এদিকে চাঁদার বিষয়টি ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নে ফ্লাস হলে “টপ অব দ্যা ইউনিয়নে” পরিণত হয়।সম্মান রক্ষা করতে একের পর এক প্রেস রিলিজ দিচ্ছেন দিলোয়ার চেয়ারম্যান।
যেহেতু,নদী,খাল,বিল সিলেট ডিসির সম্পত্তি এবং লিজ দেয়ার ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের কোন এখতিয়ার নেই,সেহেতু নিশ্চিত চাঁদা আদায় করা একটি অবৈধ কাজ।আর সেই কাজে প্রতিবেদককে ডা.সাইদুল ইসলামের দেয়া বক্তব্যে চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার বিষয় পরিষ্কার।

ভুক্তভোগী নৌকার মাঝিরা ভাসমান তথা বিভিন্ন ডিস্ট্রিক হতে আগত হবার ফলে তারা স্হানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করার সাহস না পেলে ও অন্যায়কে প্রশ্রয় না দেয়া এলাকাবাসী চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্হা নিতে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়েছে চা বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ)। চা শিল্পে উৎপানদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্রমিক-মালিকদের ঐক্য এবং সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান এম শাহ আলম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি এ শিল্পের প্রকৃত চিত্রও তুলে ধরা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭-১৯৫৮ সালে চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি চা শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্বির লক্ষ্যেই শ্রীমঙ্গলে চা গবেষণা ইনিস্টিটিউটে স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে চা শিল্পেই সুদূরপ্রসারী উন্নয়নের যাত্রা ও সার্বিক বিকাশের পথ উন্মোচন করেন। তিনি ১৯৭২ সালে রব কমিশন গঠন করে চা শিল্পের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৯৭২-৭৪ সালে চা বাগানের বিধ্বস্ত কারখানা চালু করার লক্ষ্যেই ভারত থেকে আইডিবিআই ঋণের ব্যবস্থা করে চা শিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশীয় চা সংসদের চেয়ারম্যান এম শাহ আলম। তিনি টি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

বিটিএর পক্ষ থেকে ওই সভায় জানানো হয়, দেশে চা একটি কল্যাণমূলক শিল্পের আদর্শ হিসেবে দেড় শতাব্দীর অধিক সময় ধরে গড়ে উঠেছে। এ শিল্পে নিয়োজিত একজন শ্রমিক নগদ মজুরি এবং দ্রব্য ও অনগদ পারিশ্রমিক বাবদ মজুরি পেয়ে থাকেন, যার পরিমাণ মজুরির নগদ অংশের দ্বিগুণের বেশি। স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নারীদের অধিকার ও সম্মান প্রদানে চা শিল্পই প্রথম পদক্ষেপ নেয়। ১৬৮ বছরের পুরোনো শিল্প হিসেবে বাংলাদেশের অন্যান্য যেকোনো শিল্পের তুলনায় অনেক আগে থেকেই শ্রম আইন অনুসরণপূর্বক ১৯৭০ দশকে লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণ এর মাধ্যমে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমকাজের জন্য সমমজুরি নিশ্চিত করেছে।

চা শিল্পে ১৯৩৯ সাল থেকে শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাতৃত্বকালীন ছুটির প্রচলন করা হয় এবং মাতৃকালীন ছুটি ও আইন নির্ধারিত মাতৃত্বকালীন ভাতা দিয়ে থাকে। চা বাগানগুলো গর্ভ ও প্রসবকালীন জটিলতাসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছে, যা বাংলাদেশে প্রচলিত অন্য শিল্পে বিরল। সর্বোপরি, সবদিক থেকেই চা শিল্প অনেক আগে থেকে সুসংগঠিত একটি শিল্প।

চা শিল্পে প্রতি শ্রমিককে ২ টাকা কেজি দরে মাসে গড়ে প্রায় ৪২ কেজি চাল রেশন হিসেবে দেওয়া হয়, যার বাজার মূল্য প্রায় ২ হাজার ৩১০ টাকা অথবা সমপরিমান আটা দেওয়া হয়। তাছাড়া, শ্রমিকদের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে চা শিল্পে প্রায় ৯৪ হাজার ২০০ বিঘা জমি চাষাবাদের জন্য চা শ্রমিকদের দেওয়া হয়েছে।

চা শ্রমিক ও তার পুরো পরিবারের সবাই বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকেন। অথচ অন্যান্য শিল্পে শুধু শ্রমিকরা এ সুবিধা পান। শ্রমিকদের মৃত্যুর পরেও তার পরিবারের জন্য এ সুবিধা বহাল থাকে।
উল্লেখ্য যে, শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চা শিল্পে দুটি বড় আকারের আধুনিক গ্রুপ হাসপাতাল ও ৮৪টি গার্ডেন হাসপাতালে ৭২১ শয্যার ব্যবস্থা, ১৫৫টি ডিসপেনসারিসহ মোট ৮৯০ জনের অধিক মেডিকেল স্টাফ নিয়োজিত আছেন।

চা শ্রমিকের সন্তানদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রাথমিক, জুনিয়র ও উচ্চ বিদ্যালয়সহ মোট ৭৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে ১ হাজার ২৩২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। বর্তমানে ৪৪ হাজার ৮০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী বিনামূল্যে পড়ালেখার সুযোগ পাচ্ছেন।

চা শ্রমিকদের বসতবাড়ির জন্য বিনামূল্যে পরিবার প্রতি ন্যূনতম ১ হাজার ৫৫১ স্কয়ার ফিট জায়গায় দুটি থাকার ঘর, রান্নঘর এবং ল্যাট্রিনসহ বসতবাড়ি বাগানমালিক নির্মাণ করে দেয়। মোট ৫ হাজার ৮০০ বিঘা জমি শ্রমিকদের বসতবাড়ির জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাছাড়া, গবাদি পশু পালনের জন্য চারণভূমি ও রাখালের খরচও বাগানমালিক বহন করে থাকেন।

একজন চা শ্রমিক অবসর গ্রহণ করলে তার পরিবর্তে তার পছন্দ অনুযায়ী পরিবারের একজনকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকরা অবসরভাতা পেয়ে থাকেন এবং ২ টাকা কেজি দরে চাল বা আটা পেয়ে থাকেন। এক হিসাবে দেখা যায় যে, দৈনিক ১৭০ টাকা নগদ মজুরি হলে তার সাথে দ্রব্য ও অনগদ পারিশ্রমিক মিলে মোট মজুরি গড়ে দৈনিক প্রায় ৫৪০ টাকা হয়।

উল্লেখ্য, বর্তমানে চায়ের গড় নিলাম মূল্য ২০২ টাকা এবং উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২০০ টাকা। চা চাষের বহু উপাদানের মূল্য বহু পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১০ বছরে চায়ের নিলাম মূল্য প্রতি কেজিতে ০.১৬% , শ্রমিক মজুরি ৭৩.৯১ % এবং উৎপাদন ব্যয় ৪৮% বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ অবস্থায় চা শিল্পে উৎপানদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। এই লক্ষ্যে শ্রমিক-মালিককে একসাথে কাজ করতে হবে এবং সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এ আশাবাদ ব্যক্ত করা হচ্ছে যে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার প্রতি সম্মান রেখে বাগানমালিকগণ ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যকার সুদীর্ঘ দ্বিপাক্ষিক বিদ্যমান সুসম্পর্ক চা শিল্পের উন্নয়নের ধারা অক্ষুণ্ন রেখে এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখাসহ জাতীয় অর্থনীতিতে প্রাচীনতম এ শিল্পের অবদান অব্যাহত থাকবে।

চা শ্রমিকদের মজুরির বিষয়ে যা বলছে টি অ্যাসোসিয়েশন-

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা