পূজার প্রসাদকে কেন্দ্রকরে মারধোর করে স্থানান্তরের অভিযোগ।

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
  • ৮১৭ Time View

চা শ্রমিক ডটকম, নিজস্ব প্রতিনিধিঃলোহাইনি চা বাগানে বিপদনাশিনী পুজার প্রসাদ খাওয়াকে কেন্দ্রকরে ২ পরিবারের শিতন মহালী(১০) পিতাঃমৃত ধনম মহালী ও সুমন রবিদাস (৮)পিতাঃমানিক রবিদাস২শিশুর দ্বন্ধে মানিক রবিদাসের পরিবারকে বাগানে স্থানচ্যূত করলেন.বর্বর মধ্যযুগিও হামলায় সাবেক বাগানপঞ্চায়েত প্রার্থীর সদস্যরা মান্ডপ লাইন হতে স্থানান্তর করে বাগানের নির্জন এলাকা সাতঘর লাইনে ভোক্তভোগী পরিবারের কিশোরী সীমা রবিদাস(১৬), শিউলি রবিদাস (১৩) তাদের মা সান্তি রবিদাস যারা হামলায় আহত হয়ে বর্তমানে কুলাউড়া উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে চা শ্রমিক ডটকমে জানিয়েছেন।

হাসপাতালের ইমারজেন্সি বিভাগের দ্বায়িত্বে থাকা বিরেন্দ্র পাল পরিচয়ে মোবাইলে কথা হলে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন আহতদের কাটাঁছেড়া না থাকলেও আঘাতের জখমী হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত দিলিপ পার্শি চা শ্রমিক ডটকমকে যানান পরিবারটির আচার আচরন ব্যাবহার নিয়ে বাগানের প্রায় সকলের সহিত কমবেশি বিবাদ চলছিল। এরি সুত্রে বাগানের সকলের নারাজির কারনে সকলের মতামতের মাধ্যমে নতুন স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মারামারির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন মারামারি হয়েছে বলে মন্তব্য করেননি তবে অশ্লীল ব্যাবহারের কারনে স্থানীয় মহিলাদের সহিত কথা কাটাকাটি হয়েছে বলে যানান।

এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সত্যনারায়ণ নাইডু চা শ্রমিক ডটকমকে বলেন দির্ঘ্যদিন ধরে পরিবারটি ব্যাবহারে ক্ষুদ্ধ হয়ে স্থানান্তরে দাবীতে বাগান বন্ধের ডাক দিলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বর্তমানে তাদের কাচা বাড়ী হতে পাকা বাড়ীতে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বাগান ব্যাবস্থাপক মাহমুদ উল্লাহের সহিত চা শ্রমিক ডটকমের কথা হলে তিনি যানান বাগানের চা শ্রমিকেরা পরিবারটির নানা অভিযোগ এনে স্থানান্তরণের দাবীর পেক্ষিতে কাজ বহাল রেখেই নতুন কোয়াটারে দেওয়া হয়েছে বিশৃঙ্খলার আশংকার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ প্রসাশনের সহযোগীতায় স্থানান্তরিতের ব্যাবস্থা নিয়েছেন বলে তিনি যানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুা চা শ্রমিক ডটকমে জানিয়েছেন স্থানান্তর প্রকৃয়াটি শান্তিপূর্ণ ভাবে চলমান অবস্থায় চলছিল গত বছর দেডেক পূর্বে বর্তমান সভাপতি পরিবারটির বড় মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে নিয়ে সংসার করাতে কিছু মাদকসেবীদের উসকে দেওয়াতে ঘঠনাটি ঘঠেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা