জুড়ীর ফুলতলাতে ক্রেডিট ইউনিয়নের অফিস উদ্ধোধন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০
  • ৫৪৭ Time View

জুড়ীর ফুলতলাতে ক্রেডিট ইউনিয়নের অফিস উদ্ধোধনঃ

চা শ্রমিক ডটকম, জুড়ী ভ্যালী প্রতিনিধিঃ সঞ্জয় চৌহান

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নে কারিতাস সক্ষমতা প্রকল্প কৃর্তক ১৫-১২-২০১৫ইং তারিখে ৪বছর মেয়াদী সক্ষমতা প্রকল্পটি জুড়ী উপজেলার ফুলতলা চা বাগান, এলবিনটিলা, খাসিয়াপুঞ্জি এই তিনটি গ্রাম নিয়ে অসহায় মানুষদের আর্থিক ভাবে স্বাভলম্বী করার লক্ষ্য কারিতাস সক্ষমতা প্রকল্প বিভিন্ন ভাবে কাজ করে যায়। কারিতাস সক্ষমতা কৃর্তক গড়া ক্রেডিট ইউনিয়ন গঠন করা হয়। যা প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সম্পূর্ন দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া এলাকার ক্রেডিট ইউনিয়নেরর সভাপতি, ও সদস্যদের মাঝে। আজ নিজ প্রচেষ্টায় এমন এক পর্যায়ে এগিয়ে গেছে। ২৯-০৭-২০২০ইং তারিখে ফুলতলা চা বাগানের ক্রেডিট ইউনিয়নের নতুন অফিস কার্যালয় এর শুভ উদ্ধোধনে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্ধোধন করেন কারিতাস সিলেট অঞ্চলের জনাব, প্রকাশ চন্দ্র সরকার, (জেপিও, সক্ষমতা প্রকল্প) উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফুলতলা চা বাগানের সভাপতি, রবি বুনার্জী, উপস্থিত ছিলেন- কারিতাস প্রকল্পের মাঠকর্মী হিসেবে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন- শৈলেন মার্ক তপ্ন (এফএ) ও সজল বড়কুর্মী (এফএ) এবং ফুলতলা ইউপি সদস্যা করুনা ভুমিজ, ক্রেডিট ইউনিয়ন ব্যবস্থাপনা পরিষদের সভাপতি- উমাশংকর গোয়ালা সহ অত্র পরিষদের সকল সদস্য/সদস্যাগন এর উপস্থিতে নতুন অফিস কার্যালয়ের শুভ উদ্ধোধন হয়। ফুলতলা চা বাগানে ক্রেডিট ইউনিয়ন গঠন করা হয়ঃ ০১-০১-২০১৬ইং আজ ২৯-০৭-২০২০ইং বর্তমান বয়স ৪বছর ৭মাস, এই ক্ষুদ্র ঋনদান ক্রেডিট ইউনিয়নের মূলধন প্রায় ১১ লক্ষ্য টাকা। এই পর্যন্ত সদস্য সংখ্যা প্রায় ৩২০ জন। ঋন গ্রহন করে স্বাভলম্বী হয়েছেন প্রায় ২০০জন সদস্য। এই ক্রেডিট ইউনিয়ন দ্বারা এলাকার অসহায় গরিব দুঃখী পরিবার গুলো বিভিন্ন ভাবে ঋন গ্রহন করে স্বাভলম্বী হচ্ছেন ও বিভিন্ন সমাজিক সেবা গ্রহন করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা