উত্তরভাগ চা বাগানে পঞ্চায়েত চাদাঁ নামের টাকার নেই কোন হিসাব সাধারন শ্রমিকদের সভা।

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২০
  • ১৬৬৩ Time View

চা শ্রমিক ডটকম,সারেজমিন প্রতিবেদনঃআজ ২রা আগষ্ট রবিবার সকাল ১০ ঘঠিকায় রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ চা বাগানে দূর্গা মন্দির পাঙ্গঁনে সকাল ১০.৩০ ঘঠিকায় সাধারন চা শ্রমিকেরা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির নানা অনিয়ম,দূর্নিতির ও সাপ্তাহিক ২০ টাকা হারে ৫৬০ শ্রমিকের পঞ্চায়েত চাদাঁর খরচের হিসাব চেয়ে এক সাধারন সভার আয়োজন করা হয়।
সাবেক সভাপতির সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বর্তমান সভাপতি দুলাল বাক্তি, সম্পাদক শেখর বড়াইক ব্যাতিত প্যানেলের অনান্য সদস্য এবং তিন শতাধিক চা বাগানটির সাধারন শ্রমিকেরা।
সভাসুত্রে যানাযায় মন্দিরের অভ্যন্তরীণ সীমানার ভিতরে বসিয়েছে চুল কাটার সেলুন।

গত ০৯ বছরের ২০টাকা হারে নিয়মিত সাপ্তাহিক চাদাঁ আদায় হলেও ৩ বছরগত হলেও ধর্মীয় কির্তন সভার জন্য বাকীতে আনা দধি ও মিষ্টির ২২০০/=টাকা এখনও পায়নি দোকানদার।

জেলা পরিষদ কর্তৃক নগদ ৫০.০০০/= টাকা সহ সরকারি অনুদান কি কাজে ব্যায় করেছে জানেনা শ্রমিকেরা নেই কোন জবাবদিহিতা

মন্দির উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য কতকাল ২ কেজি হারে নিরিখ অতিরিক্ত দিতে হবে।

কেজিওল শ্রমিকের মন্দির বাউন্ডারি তৈরীর জন্য ১০ টাকা হারে ৩ বছরের অধিক শ্রমিকের টাকা কি কাজে ব্যাবহার করেছে সহ বাগানের বেশ কিছু সমস্যার ইস্যু নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হলেও বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সম্পাদক শেখর বড়াইক সভাস্থলে আসেননি খোজকরা হলে তিনি রাবার ফ্যাক্টরিতে কাজে নিয়োজিত ছিলেন তিনি সভা সম্পর্কে জানেন না বল্লেও বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি দুলাল বাক্তি বলেন সম্পাদক সভাতে আসবেন বলে সভার কার্যক্রম চালু করেন। একপর্যায় দীর্ঘ মেয়াদী চাদাঁর ৯ বছরের ক্ষেত্রে ৩ বছরের গড়মিল হিসাব দিতে চাইলে শ্রমিকেরা বাগান পঞ্চায়েত কমিটিকে নির্ভুল হিসাবে সহযোগীতা করার জন্য ৫ সদস্যর একটি প্রস্তাবনা করলে পঞ্চায়েত কমিটি অমিমাংসিত
অবস্থায় সভাত্যাগ করে মন্দিরের গেইট পের হয়ে বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে দেখে নেবার কথা বলে স্থান ত্যাগ করে।

উল্লেখ্য গত বছর দূর্গাপূজার কিছুদিন আগে বিষয়টি জানতে পেরে মৌলভীবাজার অাসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদের নির্দেশে জেলা ও উপজেলাটির আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ বিষয়টি নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করলে পূজা সন্নিকট হওয়াতে পঞ্চায়েত কমিটি ও শ্রমিকদের একত্রিত করে পূজা সম্পূন্ন করার পর বিষয়টি নিয়ে বসার কথা থাকলেও বসার পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারায় দলীয় নেতৃবৃন্দ সমাধান দিতে পারেনি বলে যানাযায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা