হবিগঞ্জে ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করায় শ্রীমঙ্গলে এশিয়ান জার্নালিস্ট চ্যারিটেবল সোসাইটি প্রতিবাদ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫৪৩ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ প্রত হবিগঞ্জে দৈনিক প্রভাকর পত্রিকার ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে এক চেয়ারম্যান কর্তৃক মানহানি মামলা করার প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গল এশিয়ান জার্নালিস্ট চ‍্যারিটেবল সোসাইটির আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকালে বিরতি বিল্ডিং শ্রীমঙ্গল এর তৃতীয় তলায় প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক কালজয়ী পত্রিকার সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার কে এস এম আরিফুল ইসলাম,মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক ও অত্র সংগঠনের উপদেষ্টা আমজাদ হোসেন বাচ্চু, বিশিষ্ট কলামিস্ট আরপি নিউজ সম্পাদক সৈয়দ আমিরুজ্জামান,শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও অত্র সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম আশরাফী।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, অত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য সাইদুল ইসলাম সবুজসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের সভাপতি মোঃ নাছির আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজন এর সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তারা হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান কর্তৃক নিম্নলিখিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন, সাথে সাথে বিজ্ঞ প্রশাসনের প্রতি উক্ত মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছেন বক্তারা। বক্তারা আরও দাবি করেন,জনগণের স্বার্থ উদ্ধারে এবং আদায়ের বেলায় সাংবাদিকদের প্রতি সহানুভূতিশীল না থাকলে অপরাধীদের অবাধ বিচরণ রোধ করা সম্ভব হবে না, তাছাড়া সাংবাদিকদেরকেও সংবাদ প্রচারের আচরণবিধি মেনে চলতে হবে।
এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, অত্র সংগঠনের সহসভাপতি
মোশাহিদ আমির,সহ সাধারণ সম্পাদক
মোঃ সাদ্দাম হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন,দপ্তর সম্পাদক সুদিপ কৈরী,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, দুর্নীতিবিরোধী সংবাদ করায় মিথ্যা অভিযোগ এনে হবিগঞ্জের দৈনিক প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল হালিম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আজহারুল ইসলাম চৌধুরী মুরাদ বার্তা সম্পাদক সহিবুর রহমান ও প্রতিবেদক শেখ বেলাল আহমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে ১১ নং বাঘাসুরা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন হবিগঞ্জের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কগ-০৬ আদালত বরাবরে ২০কোটি টাকা মূল্যের সম্মানহানিকর মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা