ভাড়উড়া চা বাগান থেকে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ জন সদস্য গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫১৯ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়উড়া চা বাগান থেকে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ।

গত৭ ই নভেম্বর রোজ (শনিবার) ভোর রাত আনুমামিক ৩.৪০ মিনিটে শ্রীমঙ্গলে ভাড়াউড়া বাগান থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছালেক এর নেতৃত্বে ওসি তদন্ত হুমায়ুন কবির,ওসি অপারেশন নয়ন কারকুন, এস আই ফরিদ উদ্দিনসহ সঙ্গীয়ফোর্স অভিযান চালিয়ে ভাড়াউড়া বাগনের রামপাড়া এলাকার উজ্জল হাজরার বসত বাড়ীর পাশে রাস্থার সাথের আকাশী গাছের বাগনের ভিতর থেকে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে।এদের মধ্যে ১/সাগর মিয়া(২০) পিতা মোখলিছ মিয়া। সাং বিরাইমপুর ২/ জুয়েল মিয়া (২২) পিতা বাচ্চু মিয়া সাং পূর্বাশা আ/এ বর্তমান ঠিকানা খাঁসগাও উভয় থানা শ্রীমঙ্গল,৩/ বাদল মিয়া (৪৫)পিাত শাহজাহান মিয়া সাং বুড়ি শহর থানা নাসির নগর বর্তমান সিন্দুখাঁন রোড মতিন মিয়ার বাসা। । তাদের সাথে দেশীয় অস্ত্র দা,রামদা,কিরিচ,কাটার ইলেক্ট্রনিক মেশিন,কাটার ষ্টেপচাকু উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানাগেছে,ডাকাতির উদ্দেশ্য বিভিন্ন এলাকা হতে উক্ত স্থানে এসে জরো হয় এবং পুলিশ ও স্থানীয় জনগনের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা