আড়ং’র অসদাচরনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম জেলা’র মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি সম্পন্ন

শেখ মোঃখাইরুল ইসলাম
  • Update Time : বুধবার, ১৭ মার্চ, ২০২১
  • ২৬৬ Time View

আড়ং’ কর্তৃক ইসলামের শাশ্বত ও অন্যতম বৈশিষ্ট্য পবিত্র দাড়ি নিয়ে অবমাননাকর আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে  মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি আজ ১৬ মার্চ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় চট্টগ্রাম ২নং গেইটস্থ আড়ং আউটলেট প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।সংগঠনের দক্ষিণ জেলা সভাপতি  ছাত্রনেতা নুরের রহমান রনি’র সভাপতিত্বে ও  কেন্দ্রীয় সদস্য ছাত্রনেতা আ ল ম হুমাইর  কাইসানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি  ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনার কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক যুবনেতা মাও. নুরুল্লাহ রায়হান খান। প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রসেনার চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল জাবের।প্রধান অতিথি বলেন-দাড়ি ইসলামী সংস্কৃতি ও অনুশাসনের অন্যতম অনুষঙ্গ।ইসলাম ধর্মের অন্যতম নিদর্শন দাড়ি রাখা নিয়ে সম্প্রীতি সময়ে আড়ং কর্তৃক অসদাচারণ ও নিয়োগ বিধিতে দাড়ি রাখলে চাকরি হবেনা মর্মে প্রচারিত বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।তিনি বলেন-চাকরির ভাইভাতে দাড়ি না রাখার শর্তারোপ করে এ শিল্প প্রতিষ্ঠান সারাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমনাদের বিশ্বাসে আঘাত করেছে।তিনি বলেন- কোনো ধরনের ছলচাতুরীর আশ্রয় না নিয়ে আড়ং কর্তৃপক্ষকে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।তিনি নিয়োগ বোর্ড কর্মকর্তার বহিষ্কার দাবি ও তাদের নিয়োগ নীতিমালা স্পস্ট করে যদি আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে  জাতির কাছে  কর্তৃপক্ষ ক্ষমা না চায় তাহলে আড়ংয়ের পন্য বর্জন করে তাদের বিরুদ্ধে গণ আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।প্রধান বক্তা বলেন- দাড়ি  পৌরষত্বের পরিচয় বহন করে।শুধু শরয়ী নির্দেশনাতে দাড়ির উপকার- গুরুত্ব সীমাবদ্ধ নয় বরং চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের কাছেও  এর উপকারিতা প্রমাণিত।ইসলামী নিদর্শন অবমাননার কারণে তিনি আড়ংকে কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানান। এতে  স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুল-ইয়ামিনের সহ-সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা ইকবাল জাহিদ। বক্তব্য রাখেন- ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পর্ষদের ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ছাত্রনেতা এম. জুননুরাইন খোকন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ছাত্রনেতা এনামুল হক, দক্ষিন জেলা ছাত্রসেনা সাধারণ সম্পাদক রিদোয়ান সাজ্জাদ, চট্টগ্রাম মহনগর দক্ষিণ সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দীন,চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল হাসান,ছাত্রসেনা উত্তর জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ ফারুক হোসাইন, যুল-ইয়ামিনের অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ,  তৌফিক আলী সাকিব, আমির হামযা,  হাবিবুর রহমান শিহাব, ফজলে রাব্বি,মুহাম্মদ ফরহাদ, ফয়সাল ফাহিম প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা