বরমচাল চা বাগানে যাত্রা নিয়ে মিথ্যে প্রচারনার দায় এনে কারনদর্শাতে কাজ বন্ধ করা হয়েছিল কাজে পূনঃ বহাল

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৯৯৮ Time View

চা শ্রমিক ডটকম,অনুসন্ধানী প্রতিবেদনঃ সম্প্রতি ফেসবুকে কালীপূজায় যাত্রা হবার প্রতিবাদে ২জন স্কুলছাত্রের অভিবাবকের কাজ বন্ধ রাখার পোষ্টে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের মতামতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্ট হয়। এবং পোষ্টটিকে শেয়ারে ও কমেন্টের মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।
এবিষয়ে সারেজমিনে খোজঁ নিয়ে যানাযায় বাগান পঞ্চায়েত কমিটি অপ্রিতিকর পোষ্টদাতার অভিবাবকদের বিষয়টি জানায় তাহারা কিভাবে বাগানে যাত্রা হচ্ছে অবগত হয়েছে সে বিষয়টি স-শরিলে এসে জানানোর জন্য। কিন্তু তাদের অভিবাবকেরা কোন গুরুত্ব না দেওয়াতে অপর দিকে বিষয়টি নিয়ে বাগান সহ সর্বৎ আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়ে পড়লে। শ্রমিকদের মধ্যে অনেকেই মিথ্যে প্রচারনার কারনে বাগানের সম্মান ক্ষুন্ন হয়াতে অসন্তোষ্ট হয়েপড়ে
বাগানের সৃংঙ্খলা রক্ষার্থে অভিবাবকগন তাদের কাজ বন্ধ রাখা হয়।বলে বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি,সাধারন- সম্পাদক চা শ্রমিক ডটকমে  অভিযোগ করে বলেন।
উল্লেখ্য চা বাগানে যাত্রা করতে চাইলে প্রথমেই বাগান ব্যাবস্থাপক,ইউনিয়ন,থানা সহ বেশ কিছু যায়গা হতে আবেদনের পরিপেক্ষিতে অনুমতিপত্র নিতে হয় মাসেক খানেক পূর্ব হতেই।
এবিষয়ে বরমচাল চা বাগানের বাগান সহ-ব্যাবস্থাপক সানাউল হকের সহিত চা শ্রমিক ডটকমের কথা হলে তিনি যানান এখন পর্যন্ত কোন যাত্রাগান করার জন্য বাগান পঞ্চায়েত বা কোন শ্রমিকের পক্ষ হতেও আবেদন করেননি। অপ্রপ্রচার ও বাগানের সম্পৃক্তি নষ্টের অভিযোগে শ্রমিক, পঞ্চায়েত সদস্যরা ২ জনের কাজ বন্ধকরেছে জানতে পেরেছি।
এবিষয়ে আরো জানতে ১ নং বরমচাল ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় সদস্য চন্দন কুর্মীর চা শ্রমিক ডটকমের কথা হলেও তিনি বলেন এপর্যন্ত যাত্রাগানের কেহ আবেদন করেনি বলে তিনি যানান
স্থানীয় একজন শ্রমিক নাম না প্রকাশের শর্তে তিনি বলেন বেশকিছু লোক দূর্গাপুজা তে যাত্রাপালা করার জন্য চেয়ারম্যানের কাছে চাইলে চেয়ারম্যানের অসম্মতির কারনে হয়নি পরবর্তী সময়ে বিষয়টি দেখাযাবে বলে চেয়ারম্যান যানিয়েছিল বলে যানাযায়।
অনেকেই বলাবলি করেছে দূর্গাপূজায় নাহলেও কালীপূজাতে যাত্রাগান হতে পারে। এমনি আলোচনার পেক্ষিতে বরমচাল চা বাগানের শিক্ষার্থী রামজিত রবিদাস(২১) পিতাঃ কালাচান রবিদাস এবং নিতাই রবিদাস পিতাঃ বসু রবিদাস ফেসবুকে ” কালীপূজাতে মন্দিরে যাত্রাপালা বাগান পঞ্চায়েত কমিটি করাচ্ছেন ” যার ফলে গন্ডোগোল সৃষ্টি হলে নিতাই রবিদাসের মাতা ভারতি রবিদাস এবং রামজিত রবিদাসের পিতা কালাচান রবিদাসের সাময়িকভাবে গত ২ দিন বন্ধ রাখা হলেও আজ১৯ অক্টোবর হতে কাজে বহাল করেছে।

এবিষয়ে স্থানীয় ও কয়েকজন ছাত্র/ছাত্রীদের সাথে চা শ্রমিক ডটকমের কথাহলে যানাযায় তাদের মধ্যে কেহই যাত্রাপালায় সমর্থন করেনি। ভাল কেহই চায়না যাত্রাগান হউক।
এবিষয়ে আরো জানাযায় বাগানে যাত্রাগান হলেও তার নিয়ন্ত্রণ থাকে বাহিরের এলাকার জুয়ারিদের হাতে যারা বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে অর্থের বিনিময়ে যাত্রার পারমিশন কারো মাধ্যমে করিয়ে থাকে অশাধু চক্রের মাধ্যমে।
যাত্রাগানের প্রস্তুতিমূলক সময়ে ছাত্রদের ফেসবুকে পোষ্টের কারনে যাত্রার কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ হলেও পরবর্তীতে যাত্রাগানের পূনঃপদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পার্শবর্তী এলাবাসীর এব বিশেষ সুত্রে যানাযায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা