“দৈনিক মজুরী ১৭০ টাকায় খুশি’ ২০০ টাকা হলে আরও খুশি হতাম”

স্মরণ সিং (বালিশিরা ভ্যালী)
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২
  • ১৫৬ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ মৌলভীবাজার জেলা শ্রীমঙ্গল উপজেলা চা বাগানে চা শ্রমিক মজুরী আন্দোলন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হস্তক্ষেপে চা বাগানে চা শ্রমিকরা চা পাতা তোলা কর্মমূখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। চা শ্রমিকরা চা পাতা তোলার মনোনিবেশ ও মজুরী বেশি পাওয়ার আশায় হাসি খুশি প্রতিযোগিতায় চা পাতা উত্তোলন করতেছে। দৈনিক মজুরী বিষয় নিয়ে নারী চা শ্রমিক আরতি কালিন্দিকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাজিরা( মজুরী)১৭০ টাকায় খুশি ২০০ টাকা হাজিরা( মজুরী) নির্ধারণ করে দিলে আরও খুশি হতাম।
বর্তমানে দ্রব্যমূল্যে উর্দ্ধগতি চালের দাম ৫০ আর ২টাকা, তেলের দাম, আনাজ পাতি( শাক সবজি) দাম অনেক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ যাতে জিনিসপত্রের দাম কমিয়ে দেই।

নারী চা শ্রমিক মমতা গোয়ালা আন্দোলনরত অবস্থায় চাওয়া পাওয়া বিষয় নিয়ে অন্য চা বাগানে আত্মীয় কাছে জানতে চাইলে আত্মীয় বলেন আমাদের চা বাগানে কোম্পানি পক্ষ থেকে ১০ কেজি চাল ৫০০ টাকা করে সহযোগিতা করেছে। মমতা গোয়ালা বলেন আন্দোলনরত বুধবার ডাকা হয়েছিল টাকা ও রেশন দিবে পরবর্তীতে কমিশন বোনাস থেকে কেটে রাখা হবে বাগান কর্তৃপক্ষ বললে চা শ্রমিকগণ মানতে রাজি হয় নাই ও দুদিনের ছুটির মজুরী টাকা নিতে কেউ রাজি হল না। চা শ্রমিকগণ যেদিন কাজে যোগদান করবে সেদিন থেকে মজুরী নিবে বলে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন। চা শ্রমিকদের বাগান মালিকপক্ষ কর্তৃপক্ষ যদি সাহায্য হিসেবে টাকা দিলে তারা নিবে বলে জানান ।
চা বাগানে কর্মরত অবস্থায় অন্যান্য চা শ্রমিক নারীদের জিজ্ঞাসা করলে তাঁরাও বলেন বাগান কর্তৃপক্ষ টাকা ও রেশন দিবে তিন কিস্তিতে কমিশন থেকে টাকা কেটে নিবে চা শ্রমিকগণ রাজি হন নাই আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে সম্মতি পোষণ করেন।

সুবর্নি বোনার্জী ও দয়া বোনার্জী নারী চা শ্রমিক বলেন আমরা হাজিরা চা পাতা তোলার পর অতিরিক্ত চা পাতা প্রতি কেজি কত টাকা দিবে তা জানে না। সাহেব বাবু বাগান পঞ্চায়েত সাথে আলাপ করলে তারা বলে অতিরিক্ত চা পাতা কত কেজি তা খাতায় লিখে রাখতে ও আগামী ৩ তিন দিনের মধ্যে আমাদেরকে জানাবে বলে আশ্বাস দিলেন।
চা বাগানে চা শ্রমিকগণ যতটুকু ন্যায্যমূল্যে সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা তা পাচ্ছে না, কম্বল বিতরণ অনিয়ম, বাগানে বিদ্যুৎ বিল বেশি পরিমাণে কাটা হয় বলে জানান। মাস শেষের সাপ্তাহিক তলফ( পেমেন্ট) ১৫০ টাকা,২০০ টাকা বেশি মিলে না।
অন্য এক নারী চা শ্রমিক ফুলমনি রিকমন বলেন আমাদের জন্য চা বাগানে সেকশনে বিশুদ্ধ পানি খাওয়া টিউবওয়েল নেই পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পাই না বলে। অনেক সময় হাত ভালভাবে না ধুয়ে তাঁরা দুপুরের খাবার আহার করে থাকেন। আমরা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে ভাল চিকিৎসা পাই না।
এ বিষয় বাগানের ডিজিএম,বাবু, বাগান পঞ্চায়েত সহ আলাপ আলোচনা করেছিলেন কোন পদক্ষেপ ব্যবস্থা গ্রহণ করে নি।

বাংলাদেশ চা সংসদের সিলেট বিভাগে সভাপতি ভাড়াউড়া চা বাগান জিএম শিবলী সাদিক সাহেব কাছে জানতে চাইলে বক্তব্য প্রদানে অসম্মতি জানান।

বাংলাদেশ বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর, শ্রীমঙ্গল,মৌলভীবাজার উপ পরিচালক নাহিদুল ইসলাম নিকট জানতে চাইলে বলেন আমার জানামতে অতিরিক্ত চা পাতা প্রতি কেজি ৩.৫০ টাকা হতে ৮.০০ টাকা পর্যন্ত আছে।অতিরিক্ত চা পাতা প্রতি কেজি পরিমাণ টাকা বাগান ভেদে প্রতি কেজি পরিমাণ চা পাতা টাকার পরিমাণ ভিন্ন বা সমান না। অতিরিক্ত চা পাতা তোলা প্রতি কেজি টাকার পরিমাণ বাগান ম্যানেজার, বাগান পঞ্চায়েত কমিটি ও চা শ্রমিক সমঝোতা করে বিষয়টি সমাধান সুরাহা করতে পারেন।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল নিকট জানতে চাইলে বলেন চা বাগানে মালিকপক্ষের সাথে চুক্তি অনুসারে পরিষ্কারভাবে বলা আছে একজন স্থায়ী শ্রমিক দৈনিক মজুরী যা পাবে অস্থায়ী শ্রমিক সমপরিমাণ দৈনিক মজুরী পাবে। এখানে কম দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। অতিরিক্ত চা পাতা তোলা প্রতি কেজি টাকার পরিমাণ দৈনিক মজুরী ১৭০ টাকার প্রতিদিনই ২০/২২/২৩/২৪ কেজি পাতা তোলা নিরিখে ভাগ দিলে যা আসবে তা কেজি হিসাব করে টাকা দিবে। আমার জানা মতে ফিনলে টি কোম্পানী মজুরী ক্ষেত্রে এ রকম বৈষম্য সৃষ্টি করেছে তিনি আরও বলেন প্রতি চা বাগানে বাগান পঞ্চায়েত কমিটি, চা শ্রমিক মা বোনেরা ছাত্র যুব সবাই বাগান ম্যানেজার সাথে আলাপ আলোচনা করে প্রতি কেজি টাকার পরিমাণ ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা আছে তা বোঝে নেওয়ার আহ্বান জানান।

দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার দাবিতে ৯ অগাস্ট থেকে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু করেন চা শ্রমিকরা। চারদিন চলার পরও কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ১৩ অগাস্ট থেকে তারা একেবারে কাজ বন্ধ করে পূর্ণ কর্মবিরতি মজুরী বৃদ্ধির আন্দোলন ও সংগ্রাম চালিয়েছে।

বিগত ২৭/০৮ /২০২২ খ্রিঃ ঢাকাস্থ গণভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাথে চা বাগান মালিকপক্ষ আলোচনায় চা শ্রমিকের দৈনিক মজুরী ১৭০ টাকা নির্ধারণ আনুপাতিক হারে বাড়বে ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা চা শ্রমিকরা পাবেন বলে জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস।

বাংলাদেশ ব্যাপী মৌলভীবাজার জেলা, হবিগঞ্জ জেলা, সিলেট জেলা , চট্টগ্রাম জেলাসহ সকল চা বাগান চা শ্রমিকরা আন্দোলন অব্যাহতি দিয়ে চা বাগানে কাজে ফিরেছেন।

এদিকে আগামী শনিবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চা শ্রমিকদের সাথে নিজস্ব বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় কথা বলবেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কয়েস।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়েছে চা বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ)। চা শিল্পে উৎপানদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্রমিক-মালিকদের ঐক্য এবং সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান এম শাহ আলম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি এ শিল্পের প্রকৃত চিত্রও তুলে ধরা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭-১৯৫৮ সালে চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি চা শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্বির লক্ষ্যেই শ্রীমঙ্গলে চা গবেষণা ইনিস্টিটিউটে স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে চা শিল্পেই সুদূরপ্রসারী উন্নয়নের যাত্রা ও সার্বিক বিকাশের পথ উন্মোচন করেন। তিনি ১৯৭২ সালে রব কমিশন গঠন করে চা শিল্পের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৯৭২-৭৪ সালে চা বাগানের বিধ্বস্ত কারখানা চালু করার লক্ষ্যেই ভারত থেকে আইডিবিআই ঋণের ব্যবস্থা করে চা শিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশীয় চা সংসদের চেয়ারম্যান এম শাহ আলম। তিনি টি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

বিটিএর পক্ষ থেকে ওই সভায় জানানো হয়, দেশে চা একটি কল্যাণমূলক শিল্পের আদর্শ হিসেবে দেড় শতাব্দীর অধিক সময় ধরে গড়ে উঠেছে। এ শিল্পে নিয়োজিত একজন শ্রমিক নগদ মজুরি এবং দ্রব্য ও অনগদ পারিশ্রমিক বাবদ মজুরি পেয়ে থাকেন, যার পরিমাণ মজুরির নগদ অংশের দ্বিগুণের বেশি। স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নারীদের অধিকার ও সম্মান প্রদানে চা শিল্পই প্রথম পদক্ষেপ নেয়। ১৬৮ বছরের পুরোনো শিল্প হিসেবে বাংলাদেশের অন্যান্য যেকোনো শিল্পের তুলনায় অনেক আগে থেকেই শ্রম আইন অনুসরণপূর্বক ১৯৭০ দশকে লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণ এর মাধ্যমে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমকাজের জন্য সমমজুরি নিশ্চিত করেছে।

চা শিল্পে ১৯৩৯ সাল থেকে শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাতৃত্বকালীন ছুটির প্রচলন করা হয় এবং মাতৃকালীন ছুটি ও আইন নির্ধারিত মাতৃত্বকালীন ভাতা দিয়ে থাকে। চা বাগানগুলো গর্ভ ও প্রসবকালীন জটিলতাসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছে, যা বাংলাদেশে প্রচলিত অন্য শিল্পে বিরল। সর্বোপরি, সবদিক থেকেই চা শিল্প অনেক আগে থেকে সুসংগঠিত একটি শিল্প।

চা শিল্পে প্রতি শ্রমিককে ২ টাকা কেজি দরে মাসে গড়ে প্রায় ৪২ কেজি চাল রেশন হিসেবে দেওয়া হয়, যার বাজার মূল্য প্রায় ২ হাজার ৩১০ টাকা অথবা সমপরিমান আটা দেওয়া হয়। তাছাড়া, শ্রমিকদের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে চা শিল্পে প্রায় ৯৪ হাজার ২০০ বিঘা জমি চাষাবাদের জন্য চা শ্রমিকদের দেওয়া হয়েছে।

চা শ্রমিক ও তার পুরো পরিবারের সবাই বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকেন। অথচ অন্যান্য শিল্পে শুধু শ্রমিকরা এ সুবিধা পান। শ্রমিকদের মৃত্যুর পরেও তার পরিবারের জন্য এ সুবিধা বহাল থাকে।
উল্লেখ্য যে, শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চা শিল্পে দুটি বড় আকারের আধুনিক গ্রুপ হাসপাতাল ও ৮৪টি গার্ডেন হাসপাতালে ৭২১ শয্যার ব্যবস্থা, ১৫৫টি ডিসপেনসারিসহ মোট ৮৯০ জনের অধিক মেডিকেল স্টাফ নিয়োজিত আছেন।

চা শ্রমিকের সন্তানদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রাথমিক, জুনিয়র ও উচ্চ বিদ্যালয়সহ মোট ৭৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে ১ হাজার ২৩২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। বর্তমানে ৪৪ হাজার ৮০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী বিনামূল্যে পড়ালেখার সুযোগ পাচ্ছেন।

চা শ্রমিকদের বসতবাড়ির জন্য বিনামূল্যে পরিবার প্রতি ন্যূনতম ১ হাজার ৫৫১ স্কয়ার ফিট জায়গায় দুটি থাকার ঘর, রান্নঘর এবং ল্যাট্রিনসহ বসতবাড়ি বাগানমালিক নির্মাণ করে দেয়। মোট ৫ হাজার ৮০০ বিঘা জমি শ্রমিকদের বসতবাড়ির জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাছাড়া, গবাদি পশু পালনের জন্য চারণভূমি ও রাখালের খরচও বাগানমালিক বহন করে থাকেন।

একজন চা শ্রমিক অবসর গ্রহণ করলে তার পরিবর্তে তার পছন্দ অনুযায়ী পরিবারের একজনকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকরা অবসরভাতা পেয়ে থাকেন এবং ২ টাকা কেজি দরে চাল বা আটা পেয়ে থাকেন। এক হিসাবে দেখা যায় যে, দৈনিক ১৭০ টাকা নগদ মজুরি হলে তার সাথে দ্রব্য ও অনগদ পারিশ্রমিক মিলে মোট মজুরি গড়ে দৈনিক প্রায় ৫৪০ টাকা হয়।

উল্লেখ্য, বর্তমানে চায়ের গড় নিলাম মূল্য ২০২ টাকা এবং উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২০০ টাকা। চা চাষের বহু উপাদানের মূল্য বহু পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১০ বছরে চায়ের নিলাম মূল্য প্রতি কেজিতে ০.১৬% , শ্রমিক মজুরি ৭৩.৯১ % এবং উৎপাদন ব্যয় ৪৮% বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ অবস্থায় চা শিল্পে উৎপানদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। এই লক্ষ্যে শ্রমিক-মালিককে একসাথে কাজ করতে হবে এবং সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এ আশাবাদ ব্যক্ত করা হচ্ছে যে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার প্রতি সম্মান রেখে বাগানমালিকগণ ও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যকার সুদীর্ঘ দ্বিপাক্ষিক বিদ্যমান সুসম্পর্ক চা শিল্পের উন্নয়নের ধারা অক্ষুণ্ন রেখে এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখাসহ জাতীয় অর্থনীতিতে প্রাচীনতম এ শিল্পের অবদান অব্যাহত থাকবে।

চা শ্রমিকদের মজুরির বিষয়ে যা বলছে টি অ্যাসোসিয়েশন-