ভারতের ৬০ সৈন্য হত্যা করেছে পাক সেনারা

ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • Update Time : রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৪৩৭ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃসীমান্তে সংঘর্ষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ৬০ সদস্যেরও বেশি ভারতীয় সৈন্য মারা গেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। শনিবার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর এক টুইট বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সীমান্তে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সঙঘাতে ভারতীয় ৬০ সদস্যেরও বেশি সৈন্য নিহত ও আরো অনেকে আহত হয়েছেন।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরে ঢুকে পড়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর যুদ্ধবিমান। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ভারতীয় দুটি যুদ্ধবিমানে গুলি চালিয়ে ভূপাতিত করে। পাকিস্তানের ভূখণ্ডে ঢুকে ভারতীয় সেনাবাহিনী অভিযান চালানোর জেরে ওই সময় দুই দেশের সামরিক বাহিনী পাল্টাপাল্টি আকাশসীমা লঙ্ঘন করে।

শনিবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আন্তঃসংযোগ অধিদফতরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গফুর বলেছেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সীমান্তে পাকিস্তান সেনাবাজিনীর সঙ্গে সঙ্ঘাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৬০ সদস্য নিহত ও আরো অনেক সদস্য আহত হয়েছেন।

টুইটারে তিনি লিখেছেন, একই সঙ্গে এই সময়ে পাকিস্তানের ১৯ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। ভারতের ৬০ সৈন্যের প্রাণহানি ও অনেক আহতের পাশাপাশি ভারতীয় অনেক বাঙ্কার ধ্বংস করা হয়েছে।

‘ভারত তাদের আর্টিলারি অস্ত্রশস্ত্র সীমান্ত থেকে স্থানান্তরে বাধ্য হয়। পাক বিমান বাহিনী ভারতীয় বিমান বাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত করেছে। ভারতীয় নৌবাহিনীও নজরে ছিল।’

টুইটে পাক সেনাবাহিনীর শীর্ষ এই কর্মকর্তা ভারতের একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন; যেটি পরবর্তীতে ভারতীয় সেনাবাহিনী তদন্তের পর নিশ্চিত করেছে যে যুদ্ধের আবহে নিজেদের ভুলে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল রণবীর সিংকে বহনকারী একটি সামরিক বিমান জম্মুর পুঞ্চ জেলায় আছড়ে পড়ে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানটি আছড়ে পড়লেও তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

শুক্রবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত পাক কাশ্মির ও গিলগিট-বাল্টিস্তান অঞ্চলকে ‘অধিকৃত ভূখণ্ড’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। তার একদিন পর পাকিস্তানের এই সেনা কর্মকর্তা ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাণহানির তথ্য প্রকাশ করলেন।

সূত্র : এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা