নরেন্দ্র মোদির মুখে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে যে কথা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৪৯৪ Time View

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তান অধিকৃত আজাদ কাশ্মীর নিয়ে যন্ত্রণার কথা ব্যক্ত করেছেন। গতকাল (রোববার) জম্মু-কাশ্মীরেরপুঞ্চের রাজৌরিতে নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন ভারতীয় সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উৎসব উদযাপন করেন।

এসময় তিনি সামরিক পোশাকে নিয়ন্ত্রণ রেখায় মোতায়েন সেনা জওয়ানদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মিষ্টি বিনিময় করেন এবং সেখানে প্রায় ঘণ্টা দুয়েক সময় কাটান।

সেনা সদস্যদের মিষ্টিমুখ করান নরেন্দ্র মোদি
সেনা জওয়ানদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘দেশভাগের পরে কাশ্মীর দখলের ছক কষেছিল পাকিস্তান। আমাদের সেনারা সেই ছক ব্যর্থ করে দেন। কিন্তু কাশ্মীরের কিছু অংশ ওদের হাতে থেকে গেছে। বেআইনিভাবে ওরা সেই অংশ দখল করে আছে। সেই যন্ত্রণা আমরা ভুলিনি!’

প্রধানমন্ত্রী রাজৌরির সেনা সদর দফতরে উপস্থিত প্রায় একহাজার সেনা জওয়ানের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাদের বীরত্বের জন্যই কেন্দ্রীয় সরকার এমন সব সিদ্ধান্ত নিতে পারছে যা আগে অসম্ভব বলে মনে করা হতো।’ এভাবে তিনি পরোক্ষে পুলওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলার পরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদাসম্বলিত ৩৭০ ধারা বিলোপের কথা বলতে চেয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সামরিক পোষাকে নরেন্দ্র মোদি
এই প্রথম পাক অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) নিয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রী মুখ খোলায় বিষয়টি ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। এরআগে পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্য নিয়ে মুখ খুলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং দাবি করেন, পাকিস্তানের সঙ্গে কেবল পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই আলোচনা হতে পারে। সম্প্রতি আবার সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত বলেছেন, ‘পাক অধিকৃত কাশ্মীর সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

এসব মন্তব্যের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও একই সুরে মুখ খোলায় পিওকে নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ধাপে ধাপে সুর চড়াচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা