সাকিব আল হাসান স্থগিতাদেশ পরে মাঠে ফিরবেন ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৫১৭ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃবড় শাস্তি শুনলেন সাকিব আল হাসান। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তাকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি দিয়েছে। এরমধ্যে আছে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। ভুল স্বীকার করায় তাকে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি নিশ্চিত করেছে বিষয়টি। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ থাকবেন সাকিব। শাস্তি শেষে তিনি মাঠে ফিরবেন ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর।

আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী আইনের তিনটি ধারা ভেঙেছেন সাকিব। আর শুনানিতে সব মেনেও নিয়েছেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। যে কারণে তার শাস্তিতে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি।

তরুণরা যেন এই পথে আর পা না বাড়ায় সেজন্য কাজ করবেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার, ‘বিশ্বের অধিকাংশ খেলোয়াড় ও ভক্তদের মতো আমিও চাই খেলা দুর্নীতিমুক্ত থাকুক এবং আমি আইসিসির এসিইউর সঙ্গে শিক্ষা কর্মসূচিতে কাজ করতে চাই এবং নিশ্চিত করতে চাই যেন আমার মতো কোনও তরুণ খেলোয়াড় ভুল না করে।’

আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার অ্যালেক্স মার্শাল বলেছেন, ‘সাকিব আল হাসান অনেক উঁচুমানের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ক্রিকেটার। অনেক শিক্ষা সেশনে উপস্থিত হয়েছেন তিনি এবং এই আচরণবিধির বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে জানেন। প্রত্যেকটা প্রস্তাবে তার রিপোর্ট করা উচিত ছিল।’

তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘সাকিব তার ভুল স্বীকার করেছেন এবং এই তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন। ভবিষ্যতে সে ইন্টেগ্রিটিকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন, যেন তার ভুল থেকে তরুণরা শিখতে পারে। তিনি এই প্রস্তাব মেনে নেওয়ায় আমি খুশি।’

জুয়াড়িদের কাছ থেকে আসা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন সাকিব, কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কিংবা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) বিষয়টি না জানানোয় বড় শাস্তি পেলেন সাকিব।

আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ধারা অনুযায়ী, কোনও জুয়াড়ির কাছ থেকে অনৈতিক প্রস্তাব পেলে যত দ্রুত সম্ভব আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হয়। এ ব্যাপারে প্রতিটি সিরিজ ও টুর্নামেন্টের আগে ক্রিকেটারদের ক্লাস নেওয়া হয়। এরপরও কেউ জুয়াড়িদের প্রস্তাবের কথা না জানালে গুরুতর অপরাধ হিসেবে সেটা গণ্য হবে। শাস্তিও তাই গুরুতর। আইসিসির এই ধারা ভঙ্গের শাস্তি হতে পারে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা।

সুত্রঃবাঃট্রি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা