ধুপাগুল-সাহেবের বাজার সড়ক সংস্কারের দাবীতে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিবেদক,সিলেট সদরঃ
  • Update Time : শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৪৮১ Time View

সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগর ইউনিয়নের ধুপাগুল-সাহেবের বাজার সড়কের ধুপাগুল শহীদ মিনার থেকে মুহালদিক ব্রীজ পর্যন্ত রাস্তা সংষ্কারের দাবীতে ধুপাগুল-সাহেবের বাজার রাস্তা সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ নভেম্বর) বাদ জুম’আ মুহালদিক ব্রীজের উপর এই মানববন্ধন হয়।
৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. বশির আহমদের সভাপতিত্বে ও ধুপাগুল-সাহেবের বাজার রাস্তা সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দিলোয়ার হোসেন, ধূপাগুল স্টোন ক্রাশার মালিক সমিতির সভাপতি নাসির উদ্দিন, আম্বরখানা সিএনজি শাখার সভাপতি আবুল খাঁ, সাংগঠনিক সম্পাদক এম নুরুল ইসলাম, সিলেট জেলা বারের সদস্য এডভোকেট খোরশেদ আলম, প্রবাসী আব্দুল জব্বার, মুজিবুর রহমান, সাইদুর রহমান সাঈদ, মইন উদ্দীন, সাইদুল ইসলাম, কছির উদ্দিন।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইয়াংস্টার সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মো. মতিউর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক এমরান আলী, অর্থ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল মালিক, সদস্য আব্দুস শহীদ, সাইদুর রহমান, বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগতদের মধ্যে মনজুর, তামিম, আব্দুস সালাম, খছরুল ইসলাম, মাছুম আহমেদ, রিফাত আহমেদ, সেবুল, রায়হান, নাঈম, শাকিল, জুনেদ, তুহিন, মাসাদ, সালাউদ্দিন, কুতুব, দেলোয়ার, জালাল, রুহেল, শাহিন, কামরান প্রমুখ।
উক্ত মানববন্ধনে সাহেবের বাজার, কান্দিরপথ, বড়বন, দেবাইবহর, ছালির মহল, পাঠানগাঁও, লিল্লাপাড়া, টিল্লাপাড়া, কান্তিপাড়া, নানাপাড়া, লোসাইন, কালাগুল, ছড়ারপারের হাজার হাজার সাধারন মানুষ এই মানববন্ধনে অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কয়েক বছর ধরে এই এলাকার রাস্তার সংষ্কার কাজ না হওয়াতে এ অঞ্চলের মানুষ হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। বক্তারা সড়ক দ্রুত মেরামত করে দিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতি আহবান জানান। পাশাপাশি এই সড়কের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিনিধিদের কাছ থেকে এমন বক্তব্য শুনে এলাকাবাসী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা