শ্রীমঙ্গলে রাতের আঁধারে ৭টি মন্দিরে চুরি ও প্রতিমা ভাংচুর

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১২৩৩ Time View

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে রাতের আঁধারে ৭টি মন্দিরে চুরি ও প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসব মন্দির থেকে পিতলের মুর্তি, থালা বাসন ও দান বাক্সে রক্ষিত টাকা চুরি ও মন্দিরের কয়েকটি মূর্তি ভাঙচুর করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা। সোমবার রাতের কোন এক সময়ে উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের ভীমশী ও ভুনবীর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, পাশাপাশি অবস্থানরত এই দুটি গ্রামের মধ্যে ভিমসী গ্রামের শিববাড়িতে ও প্রতিমা শিল্পী উত্তম মিশ্রের বাড়ির মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে। এছাড়াও হর-গৌরী আখড়া, মদন মোহন আখড়া, পাল পাড়ার সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, ভীমসী মন্দির, মহাদেব মন্দিরে চুরি করেছে দুষ্কৃতিকারীরা।

ভুনবীর গ্রামের কৃপাময়ী যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক সুবির দাশ বলেন, চুরি ও ভাংচুরের ঘটনায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিন্তু এ ঘটনার ফলে সংখ্যালঘু সমাজে যে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে তা প্রশমন জরুরী। জনমনে যাতে আতংক সৃষ্টি না হয় সেজন্য প্রশাসন অতি দ্রুত দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার করে মুল ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।

মৌলবীবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুষ্কৃতিকারীদের ধরতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা