জাগছড়া চা বাগানে প্রাইজমানি অান্তঃ চা বাগান ফুটবল টুর্নামেন্ট এর শুভ উদ্ভোধন

লিটন মুন্ডা,লস্করপুর ভ্যালী প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : সোমবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৫৪৫ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ গতকাল২৪ শে নভেম্বর রোজ রবিবার শ্রীমঙ্গল উপজেলার জাগছড়া চা বাগানের ৬ নং মাঠ প্রাঙ্গণে খেলোয়াড়রা কল্যাণ সমিতি, জাগছড়া চা বাগানের অায়োজনে শুভ উদ্ভোধন হয় প্রাইজমানি অান্তঃ চা বাগান ফুটবল টুর্নামেন্ট -২০১৯ খ্রিঃ

প্রাইজমানি অান্তঃ চা বাগান ফুটবল টুর্নামেন্ট -১৯ ইং এর শুভ উদ্ভোধন হয় কিছুটা অন্যরকম সাজে। প্রথমে খোলা মাঠে দর্শকদের মন কাড়ানো অাদিবাসীদের ঝুমুর নৃত্য প্রদর্শিত হয়। মনোমুগ্ধকর এই সাংস্কৃতিক অায়োজনের সমাপ্তের সাথে সাথেই শুরু হয় বাঘ – সিংহের লড়াই।

বিকাল ৪ টায় শুরু হয় সেই বাঘ – সিংহের লড়াই। শুধু ২ চা বাগানের নয় বরং ২ জেলার মধ্যে প্রতিযোগীতা শুরু হয়। উক্ত শুভ উদ্ভোধনে অংশগ্রহণ করে হবিগন্জ জেলার সুরমা চা বাগান বনাম মৌলভীবাজার জেলার কুরমা চা বাগান। চমৎকার চমক প্রদশির্ত খেলায় ভেসে উঠে হাজারো দর্শের জয় ধ্বনি অার করতালি । পরিশেষে ১ গোলে কুরমা চা বাগান কে হারিয়ে বিজয়ী অর্জন করে হবিগন্জ জেলার সুরমা চা বাগান। ২ দলের মাঝে সুষ্ঠু এবং সুশৃঙ্খল ভাবে খেলা পরিচালিত হওয়ায় দর্শকরা অানন্দ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন এর অর্থ সম্পাদক বাবু পরেশ কালিন্দী এর সভাপতিত্ব প্রাইজমানি অান্তঃ চা বাগান ফুটবল টুর্নামেন্ট এর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফিনলে টি কোম্পানীর চীফ অপারিটিং অফিসার – মি. তাহসিন এ চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – ভাড়াউড়া ডিভিশনের মহা ব্যবস্থাপক – মি. জিএম শিবলী, জাগছড়া চা বাগানের ব্যাবস্থাপক – মি. নূরুন্নবী, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি – বাবু পংকজ, সাংগঠনিক সম্পাদক – বিজয় হাজরা, মি. ফয়সাল হাবীব, মি. রিয়াদ পাবেল প্রমূখ।

বিভিন্ন উপজেলার ভিন্ন ভিন্ন চা বাগানের খেলোয়াড়রা এই মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবং দেশ – বিদেশের জন প্রিয় খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করবে বলে জানা যায়।।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা