মৌলভীবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতিকে বয়কট করে সম্মেলন অনুষ্ঠিত

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫০০ Time View

চা শ্রমিক ডটকম, সারেজমিন প্রতিবেদনঃ আজ ৩০ শে নভেম্বর মৌলভীবাজার জেলা জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনায় পূর্ব নির্ধারিত ৭ ই ডিসেম্বর জাতীয় সেচ্ছাসেবক পার্টির কেন্দ্রীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে এক কর্মী সভার আয়োজন করা হলে সভায় যোগদানের জন্য সিলেট বিভাগের সমন্বয়ক আবু সাইয়্যিদ স্বপন জেলায় আগমন করেন
জেলার সভাপতি সাহাব উদ্দিন উনার নিজ বাড়ীতে বসার জন্য স্থান নির্ধারন করলে সংগঠনের নেতা কর্মীরা পত্যাখান করে অভিযোগ করেন ইতপূর্বে উনার নিকট হতে অনেক কর্মীরা লান্ছিত হয়েছেন এমনকি উনার বাড়ী হতে বের করে দিয়েছিলেন ছাড়াও স্বজনপ্রীতি টাকার বিনিময়ে পদ পদবী প্রদান সহ নানা অভিযোগ এনে সভাপতিকে বয়কট করে নতুন সভাপতির জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির দৃষ্টি কামনা করে জেলা ও জেলার উপজেলার নেতৃবৃন্দ আহব্বান করে পূর্ব নির্ধারিত সহরস্থ সেন্ট্রাল রোড়ের হোটেল কায়রানে সকাল ১০ ঘঠিকার স্থলে দুপুর ১.৩০ হতে বিকাল ৫ ঘঠিকা পর্যন্ত সভানুষ্টিত হয়।
শেখ মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনের সঞ্চালনায় সভাপতিত্তে ছিলেন জেলার এনামুল হক তালুদার প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন এ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম শামীম, বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন জাতীয় পার্টির জেলা কমিটির সহ- সভাপতি তজমুল চৌধুরী,জেলা যুব সংহতির সভাপতি বেলায়েত খানঁ জুয়েল, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, জেলার প্রচার সম্পাদক সৈয়দ খালেদ আহমদ, জেলায় যুব বিষয়ক সম্পাদক জুসেফ আহমদ,জেলার জাতীয় শ্রমিক পার্টির সভাপতি জামাল আহমদ,জেলা জাতীয় সেচ্ছাসেবক পার্টির সাধারন সম্পাদক আবু তালেব,কুলাউড়া উপজেলার জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক মবশ্বির আলী,জেলার জাতীয় যুব সংঘের সভাপতি বাবরুল হুসেন (রিয়াজ),বড়লেখা উপজেলার জাতীয় পার্টির যুগ্ন সম্পাদক মীর মুজিবুর রহমান,জেলা জাতীয় মহিলা পার্টির সভানেত্রীরুকশানা বেগম,সাবেক জেলা যুব সংহতির শ্রীমঙ্গল উপজেলার সভাপতি তাজ উদ্দিন (তাজু),শ্রীমঙ্গলের যুব সংহতির নেতা ইউছুফ হাছান,রাজনগর উপজেলার জাতীয় ছাত্র সমাজের সদস্য মেহদি হাছান,জেলার জাতীয় যুব সংহতির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদি আহমদ সহ প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা