সিলেটের কুয়ারি বন্ধ হলে বেকারত্বের হার বাড়ছে

মোহাম্মদ হানিফ আহমদ সিলেট ভ্যালী প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬১৬ Time View

চা শ্রমিক ডটকম,৩থেকে ৪লক্ষ লোকের জীবিকা নির্বাহ হয়ে থাকে জাফলং পাথর কোয়ারী থেকে,সে পাথর কোয়ারী আজ অচল,আর কিছুদিন পরে এখানে সেখানে শুনা যাবে,রাস্তা ঘাটে দেখা যাবে,পেটের তাগীদে মানুষ সন্ত্রাসী করছে,রাহাজানি করছে, চুরি করছে,তখন স্বার্থকতা কোথায় খুঁজে পাবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে।

একটা অঞ্চলের মানুষদের পেটের খোরাক যে জীবিকার উপর নির্ভর করে,সে জীবিকা বন্ধ করে বিকল্প কোনো রাস্তা যদি সে অঞ্চলের মানুষের জন্য তৈরি না করে দেওয়া হয়,সে অঞ্চলের মানুষজন বাঁচবে কি নিয়ে। কি হবে তখন পর্যটন শিল্প দিয়ে,কয়জন পর্যটক আসে প্রতিদিন জাফলং এ ঘুরতে,পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করে কয়জনের কর্মসংস্হানের ব্যবস্হার পরিবেশ জাফলং এ আছে,কিছুই নেই?

আজ যারা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন,আপনাদের উপরে ও এই অসহায় গরিব ৩/৪ লক্ষ পরিবারের একজনের না হয় অন্যজনের অভিশাপ পরবেই পরবে,কেনোনা আপনাদের অসর্তকতার কারণে আজ গরিবের পেটে লাথি পরেছে।

এবং একই সাথে উদার্থ আহবান জানাচ্ছি মাননীয় সরকার উর্ধতন কর্মকর্তাদের প্রতি,দয়া করে জাফলং কোয়ারী সচল করে দিন,গরিবের পেটের ক্ষুধা আপনারা এসি বাড়ি আর এসি গাড়ির ভিতরে বসে দেখবেন না,শুনবেন না,গরিবের পেটের ক্ষুধার প্রতি একটু অনুভব করে দেখেন,এদের কি বয়াবহ অবস্হা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা