জাফলং চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতিও ওয়ার্ড সেক্রেটারীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

কালাচান কর্মকার,সিলেট ভ্যালী প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫৫৪ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জুলহাস আহমেদ এবং জাফলং চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি নিরঞ্জন গোয়ালার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জুলহাস আহমেদ ও জাফলং চা বাগান পঞ্চায়েত নিরঞ্জন গোয়ালার বিরুদ্ধে এক কু চক্রু মহল তাদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করে আসছে বলে জানা যায়।

স্থানীয়রা জানায় সাধারণ সম্পাদক জুলহাস আহমেদ ও জাফলং চা বাগান পঞ্চায়েত নিরঞ্জন গোয়ালা নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ। তাদের পক্ষে একটি ফেলুডার ক্রয় করা বা ভাড়া নেওয়া কোন ভাবে সম্ভব না।কেন একটি কু চক্রি মহল বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার ও তাদের মানসম্নানহানি করে আসছে।
এলাকার মানুষের কাছে তারা সমাজ বান্ধব হিসেবে পরিচিত।পুর্ব জাফলং ৫ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত কে আরো শক্তিশালী করতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন ও জাফলং চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি নিরঞ্জন বলেন জাফলং চা বাগানের মানুষের পাশে সব সময় কাজ করে যাচ্ছি এবং জাফলং চা বাগান রক্ষাতে আমি দিন রাত কাজ করে যাচ্ছি প্রতি বর্ষাকালে ডেজার দিয়ে বাগানপারে বালু উত্তোলন করে কিছু কু চক্রু মহল আমি তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই তাদেরকে প্রতিবাদ করি।এখন শীতকাল সৃজন তারা কোন কিছু করতে না পারে তারা আমার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লেগে পড়েছে ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে জানতে চাইলে।
তিনি বলেন জাফলং সেতু রক্ষা করতে আমরা এলাকাবাসী অঙ্গীকারবদ্ধ। জাফলং সেতুর আসে পাসে দানব মেসিন দিয়ে বালু উত্তলন করলে আমরা সম্পূর্ণ নিষেধ করে আসছি।

জানিনা কেন তবে আমাদের বিরুদ্ধে একটি কুচক্র মহল অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করে আসছে। তাই বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করছি।

৩নং পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জাফলং চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি নিরঞ্জন গোয়ালা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা