লস্করপুর পূর্বাঞ্চলে আঞ্চলিক সভাপতি – সেলিম, সম্পাক – বিমল

লিটন মুন্ডা লস্করপুর ভ্যালী প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬৪৩ Time View

বাংলাদেশ টি এষ্টেট স্টাফ এসোসিয়েশন নির্বাচন ২০২০-২২ এর অাঞ্চলিক সভাপতি নির্বাচিত হলেন সৈয়দ মো: সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক বিমল প্রসাদ কানু।

আজ ১৫ ই ডিসেম্বর রবিবার চুনারুঘাট উপজেলার লস্করপুর ভ্যালির পূর্বাঞ্চল চন্ডিছড়া চা বাগানের চন্ডিছড়া চা বাগান প্রার্থমিক বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এসোসিয়েশন এর নির্বাচন অনুষ্টিত হয় উক্ত নির্বাচনী অনুষ্ঠান ভোটার অংশগ্রহণ করেন আমু, নালুয়া, চন্ডিছড়া, চাকলাপুন্জি, চান্দঁপুর চা বাগানের ১৪৮ জন স্টাফ/ কর্মচারী ও ড্রাইভার সদস্য।

সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন টেবিল মার্কাধারী আশরাফুল রহমান ও ট্রাক্টর মার্কাধারী সৈয়দ মো: সেলিম। সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন জগ মার্কাধারী বিমল প্রসাদ কানু, বই মার্কাধারী সাইদুর রহমান চৌধুরী এবং সুলতান অাহমেদ।

প্রশাসকের এবং নির্বাচনের পরিচালনা কমিটি সহযোগিতায় সুন্দর নিরিবিলি চমৎকার সুন্দর পরিবেশে নির্বাচন শুরু হয় সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ভোট প্রদান চলতে থাকে। সকালে ভোটারদের ভীড় দেখা দিলেও দুপুরের দিগে কম ছিল।
প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুলাল আহমেদ সিদ্দিকী এবং সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার কামাল উদ্দিন।

বিকাল ৪ টার পর পরেই শুরু হয় ভোট গণনা সকল প্রতিদ্বন্দ্বীদের মাঝে বিরাজ করছিল ভয় অার টেনশন। হিসাব নিকাশ গণনার ৪ ঘন্টার পর রাত ৭ টায় ফলাফল প্রকাশ করেন প্রিসাইডিং অফিসার – দুলাল আহমেদ সিদ্দিকী।

লস্করপুর পূর্বাঞ্চলে নির্বাচিত সভাপতি হলেন ট্রাক্টর প্রতীকধারী চন্ডিছড়া চা বাগানের বর্তমান অাঞ্চালিক সভাপতি সৈয়দ মো: সেলিম ৭১ ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী টেবিল প্রতীকধারী মাত্র ২ ভোটের ব্যবধানে ৬৯ ভোটে পরাজিত হয়। অাঞ্চালিক সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয় জগ প্রতীকধারী চাকলাপুন্জি চা বাগানের ২০১৪-১৬ সালের বিজয়ী বিমল প্রসাদ কানু ৫৯ ভোট পেয়ে ৮ ভোট বিজয়ী লাভ করে প্রতিদ্বন্দ্বী ডাব প্রতীকধারী সুলতান অাহমেদ ৫১ ভোট লাভ করে এবং বই প্রতীকধারী সাইদুর রহমান চৌধুরী ৩০ ভোটে পরাজয়ী হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা প্রতীক – চেয়ার ৬৮, বটগাছ ৭৪, হাত পাখা ২২, দেয়াল ঘড়ি – ৫০, ছাতা – ৪৯, দোয়াত কলম ৬০, মাছ ৩২, বালতি – ১১, চাকা ৪১, মই ২৬, অানারস – ৫৫, গোলাপ ফুল- ৩২, মোমবাতি ৯২, বাই সাইকেল- ৫৯, মোবাইল ৫৭, কবুতর – ৬৮, উড়োজাহাজ- ৫৪, মোরগ ৫৬, প্রজাপতি ৮০,চশমা ৯, ফুটবল ৫৩, হারিকেল ৫৯।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা