চুনারুঘাট কালিশিরী গ্রামের হত-দরিদ্রের মাঝে হিউম্যান সার্ভিস ফাউন্ডেশনের শীত বস্ত্র বিতরন

শ্রীপ্রসাদ চৌহান,লস্করপুর ভ্যালী প্রতিনিধি
  • Update Time : শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৪২৪ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের কালিশীরি গ্রামের মানবিক সংগঠন হিউম্যান সার্ভিস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১শত ২০জন হত-দরিদ্রের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়েছে। ২৭ ডিসেম্বর শুক্রবার দুপুরে কালিশিরী বাজারে পুলিশ সদস্য রিপন আমিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এডভোকেট এমরান লস্কর। এসময় উপস্থিত ছিলেন আহম্মদাবাদ ইউপির ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ আজগর আলী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুল ইসলাম, সংগঠনের উপদেষ্টা ও উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুজিবুর রহমান, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন আহমেদ প্রমূখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোঃ চান মিয়া লস্কর, মোঃ আঃ হাই, মোঃ আব্দুর রহিম, কাজী কাওছার, নোমান হোসাইন, রাসেল ভূইয়া, মিলন মিয়াসহ স্থানী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উক্ত শীত বস্ত্র বিতরনে প্রবাস থেকে সহযোগীতা করেন সংগঠনের উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসান শিবলী ভূ্ইয়া ও মহরম আলী হোসেন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান, মূলত এ সংগঠনটি সমাজের ছিন্নমূল মানুষের কল্যাণে কাজ করে থাকে। উপস্থিত বক্তারা সংগঠনটির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন ও সংগঠনের চলমান সামাজিক কার্যক্রম যাতে সব-সময় অব্যাহত থাকে সে আশাবাদ ব্যক্ত করেন । উল্লেখ্য, সংগঠনটি প্রবাসী ও এলাকার যুব সমাজের অর্থায়নে পরিচালিত হয়ে আসছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা