শুরুতেই ব্যতিক্রম কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা নাদেল-

মোহাম্মদ হানিফ আহমদ সিলেট ভ্যালী প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৯৪০ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ একজন ডাইনামিক নেতা হিসেবে শুরুতেই ব্যতিক্রমী শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়ে সিলেটে প্রথম আসেন আজ রোববার। দুপুর ২টার দিকে সিলেট এম.এ.জি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছলে নেতাকর্মীরা তাদের শুভেচ্ছা জানান।

এসময় বিমানবন্দর থেকে তিনি সাধারণ যাত্রীদের মতো বের হন। ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেননি। সবাই যখন ভিআইপি লাউঞ্জের সামনে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের জন্য অপেক্ষা করছেন তখন তিনি সাধারণ যাত্রীদের মতো বের হওয়া দেখে অনেকেই চমকে যান। একজন জাতীয় নেতা হয়েও তিনি সাধারণ যাত্রীদের মতো বের হন। হয়তবা- এর মাধ্যমে তিনি নেতাকর্মীদের সাধারণ হয়ে চলার মেসেজ দিতে চাচ্ছেন। এভাবেই তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মন জয় করে তিনি জাতীয় নেতায় পরিণত হয়েছেন।

দুপুরে বিমাবন্দরে পৌছলে নেতাকর্মীরা একে একে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তাদের প্রিয় নেতাকে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসাইন, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল খালিক, জগদীশ চন্দ্র দাস, এড. রনজিত সরকার, বিধান কুমার সাহা, জুবের খান, তপন মিত্র, কাউন্সিলর এড. ছালেহ আহমদ সেলিম, সিলেট জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ ভিপি,সাধারণ সম্পাদক মো: শামীম আহমদ, মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সাধারণ সম্পাদক মুসফিক জায়গীরদার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাস মিঠু সহ আওয়ামীলীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা