বড়লেখায় প্রধান শিক্ষকসহ ১১ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারিকে সংবর্ধনা

কাজল বাক্তি জুড়ী ভ্যালী প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫৭৭ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ বড়লেখা উপজেলার দাসেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকসহ ১১ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারিকে (৩ জন মরণোত্তর) শনিবার সংবর্ধনা দিয়েছেন স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও পরিচালনা কমিটি। এ সম্মাননা প্রদান সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র দাস।
সংবর্ধিত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারিবৃন্দ হলেন সাবেক প্রধান শিক্ষক অনুকুল চন্দ্র দাস, সহ-প্রধান শিক্ষক বাবু লাল নাথ, সহকারী শিক্ষক বিধু ভুষণ চন্দ, নুরুল ইসলাম, দয়াময় শুক্ল বৈদ্য, অফিস সহকারী দিলীপ চন্দ্র দাস, দপ্তরী দিলীপ কুমার মালাকার ও নৈশ প্রহরী আব্দুল খালিক। মরণোত্তর সংবর্ধিত শিক্ষক-কর্মচারিবৃন্দ হলেন সহকারি শিক্ষক আব্দুস সাকুর, দিনেশ চন্দ্র দাস ও নুর উদ্দিন।
স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি স্বপন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও সহকারী প্রধান শিক্ষক রনজিৎ কুমার ও সহকারী শিক্ষক হামিদুর রহমানের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বড়লেখা সরকারী ডিগ্রি কলেজের সহকারি অধ্যাপক বিধান চন্দ্র দাস, দাসের বাজার ইউপি চেয়ারম্যান কমর উদ্দিন, তালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস, সংবর্ধিত প্রধান শিক্ষক অনূকুল চন্দ্র দাস, সহকারি শিক্ষক বাবুলাল নাথ, নুরুল ইসলাম, দয়াময় শুক্ল বৈদ্য, কর্মচারী দিলীপ চন্দ্র দাস, ঈদগাহ বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান দে, সাংবাদিক আব্দুর রব।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য রাখাল চক্রবর্ত্তী, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ইসলাম উদ্দিন, দলিল লেখক সঞ্জু লাল দাস, স্কুলের সহকারী শিক্ষক প্রদীপ রঞ্জন দাস, অজয় চন্দ্র দাস, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী রুহেল আহমদ, বর্তমান শিক্ষার্থী সামছুন্নাহার মৌরী ও জয়ন্ত দাস প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা