সিলেটে আওয়ামীলীগের আনন্দ মিছিলে টানাটানিতে ছিঁড়ল ব্যানার

মোহাম্মদ হানিফ আহমদ সিলেট ভ্যালী প্রতিনিধি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৮৯৩ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ সিলেটে আওয়ামী লীগের ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবসের’ আনন্দ মিছিলে সামনে দাঁড়ানো নিয়ে ধাক্কাধাক্কি এবং টানাটানি করে ব্যানার ছিঁড়ে ফেললেন নেতারা।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় নগরীর জেলা পরিষদ থেকে মিছিলের শুরুতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ব্যানারটি ছিঁড়ে দুই ভাগ হয়ে গেলে তা নিয়েই সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত আনন্দ মিছিল করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এবং সিলেট জেলা ও মহানগরের সম্মেলনের পর প্রথমবারের মতো রাজপথের কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিলেন নতুন নেতারা।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এবং সিলেট জেলা ও মহানগরের সম্মেলনের পর প্রথমবারের মতো রাজপথের কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিলেন নতুন নেতারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আনন্দ মিছিলের শুরুতে কেন্দ্রীয় তিন নেতা, জেলা-মহানগরের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি মধ্যম সারির কয়েকজন নেতা সামনের সারিতে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পেছন থেকে কয়েকজন ধাক্কাধাক্কি করে সামনে আসার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি ব্যানারের দুইপাশ ধরে আরও কয়েকজন টানাটানি করলে তা মাঝ বরাবর ছিঁড়ে যায়। এতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হলে শীর্ষ নেতাদের তৎপরতায় তা প্রশমিত হয়। এরপর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে ছেঁড়া ব্যানার নিয়েই আনন্দ মিছিল শুরু হয়।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খানের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, জেলার সভাপতি অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক বছরপূর্তি উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ পালন করছে আওয়ামী লীগ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা