নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের শপথ গ্রহণ ও আলোচনা সভা-

মোহাম্মদ হানিফ আহমদ সিলেট ভ্যালী প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৮৩৮ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃসিলেট চা জনগোষ্ঠী ছাত্র-যুব কল্যাণ পরিষদের নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের শপথ গ্রহণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব বশির উদ্দিন
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দেবু বাউরি,বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন সিলেট ভ্যালি সাধারণ সম্পাদক দেবু বাউরি,হাবিব নগর চা বাগান পাঞ্চাইত সুমন কালিন্দী, ও বিশিষ্ট ক্রিয়ামুদি লন্ডন প্রবাসী জাকির হোসেন মুন্না,চিকনাগুল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন ফেরদৌস সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি দিলিপ রঞ্জিত কুমার,
প্রধান অতিথি জনাব বশির উদ্দিন বলেন-সংগঠনের সকল ধরনের সহযোগিতায় এগিয়ে আসবেন তিনি বলেন কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সকল ধরনের প্রস্তুতি করতে তিনি জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসন থেকে কম্পিউটার সহ সকল ধরনের সহযোগিতা করবেন,
বিশেষ অতিথি দেবু বাউরি বলেন চা শ্রমিক ইউনিয়ন থেকে চা বাগানে বিভিন্ন উপবৃত্তি দেওয়া হয় সংগঠনের সকল চা বাগানের ছাত্র-ছাত্রীদের সুযোগ করে দিবে।
বিশেষ অতিথিঃজাকির হোসেন মুন্না বলে আমি অতি গর্বিত এরকম শিক্ষা মূলক সংগঠন আসতে পেরে,তিনি সকল ধরনের সহযোগিতা করবেন ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য।
আতাউর রহমান শামীম মেম্বার বলেন আমি এই সংগঠনে কাজ করছি মেম্বার হওয়ার আরো ৪-বছর আগমুহূর্ত থেকে আছি ছিলাম থাকবো।
সেখানে সংগঠনের সকল কেন্দ্রীয় নেতারা ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্তমানে সিনিয়র সহ সভাপতি সুজিত বাড়াইক বলেন এই সংগঠন আমাদের স্বপ্নে গড়া সংগঠন, শিক্ষার আলোয় চা জনগণকে আলোকিত করা।
আরো বরুণ শিং ছত্রী,কিশোর রায়,উষা রানী দাস,লিটন শিং,ভি.পি শং,সাংবাদিক বিক্রম রায়,মোহাম্মদ হানিফ হোসেন,রাজন রায়,নরেশ কুর্মী,আক্কেল প্রধান,রতন,উজ্জ্বল,বাদল বাক্তি, হাসান,রুমেন,লুচেন,সিঠুন সহ খান ও হাবিব নগর চা বাগান শাখা কমিটির আরো অনেকে।
কেন্দ্রীয় কমিটির সবাই শপথ গ্রহণ করান প্রধান অতিথি ভাইস চেয়ারম্যান জনাব বশির উদ্দিন মহোদয় ও সংবর্ধনা দেন সকল অতিথিবৃন্দ।
পরে সভাপতিত্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আলোচনার সমাপ্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা