গোয়াইনঘাটে ভারতীয় মদ ও মোটরসাইকেল সহ দুই ব্যাক্তি আটক

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ১৬১৯ Time View

চা শ্রমিক ডটকম: সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভারতীয় মদ ও একটি মোটরসাইকেলসহ দুই ব্যাক্তিকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় উপজেলার সদরের গোয়াইনঘাট-রাধানগর সড়কের গোয়াইন পূর্ব বাজাররস্থ তিতারাই ব্রিজের পশ্চিম প্রান্ত থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬ বোতল ভারতীয় মদ এবং তাদের বহণকারী একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের জাফলং চা- বাগান এলাকা বিরেন গোয়ালার পুত্র বিমল গোয়ালা ( ৩৫), চামটা মালের পুত্র সুজন মাল ( ২১)।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার সদরের গোয়াইনঘাট-রাধানগর সড়কের গোয়াইন পূর্ব বাজাররস্থ তিতারাই ব্রিজের পশ্চিম প্রান্ত থেকে আমদানি নিষিদ্ধ ৬ বোতল ভারতীয় মদসহ দুজনকে আটক করা হয়। এসময় তাদের সাথে মাদক বহণকারী একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ মদসহ দুই ব্যক্তি আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মোটরসাইকলে করে মদ বহণ করছে এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করা হয়েছে। এসময় তাদের বহণকারী মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক মামলা রুজু করে জেল হাজতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছ। গোয়াইনঘাটকে মাদক মুক্ত করতে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা