অবৈধ-নকল মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দেবে বিটিআরসি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২০
  • ৭০৬ Time View

চা শ্রমিক ডটকমঃ ২০১৯ সালের ১ আগস্ট থেকে যে সব ক্লোন বা নকল আইএমইআই সংবলিত কিংবা অবৈধভাবে আমদানি করা হ্যান্ডসেট মোবাইল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত রয়েছে, সে সব হ্যান্ডসেট থেকে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দেবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)।

শিগগিরই নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করার প্রযুক্তি ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) বসাতে যাচ্ছে বিটিআরসি।

এ জন্য অবৈধ, নকল ও ক্লোন হ্যান্ডসেট কেনার ব্যাপারে গ্রাহকদের আবার সতর্ক করে দিয়েছে বিটিআরসি।

গত বছরের এ সংক্রান্ত সতর্ক বিজ্ঞপ্তি সংযুক্ত করে এ বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে আবারও সতর্কতা জারি করল সংস্থাটি। এর আগে গত বছরের ২৯ জুলাই এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি দেয় বিটিআরসি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে সিটির আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি) সঠিক কিনা- তা যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি বিক্রেতার কাছ থেকে রশিদ নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনা-বেচার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য পুনরায় নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বছরের ১ আগস্ট থেকে নকল ও ক্লোন আইএমইআই সংবলিত মোবাইল ফোন অপারেটরদের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হলে সেটিকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রারের (এনইআইআর) মাধ্যমে নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।

তবে কীভাবে সত্যতা যাচাই করতে হবে, তা বলে দিয়েছে বিটিআরসি। পদ্ধতিটি হল- মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD লিখে স্পেস দিয়ে ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখে ১৬০০২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি মেসেজেই জানা যাবে মোবাইল হ্যান্ডসেটটির আইএমইআই নম্বর বিটিআরসির তথ্যভাণ্ডারে আছে কিনা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

চা শ্রমিক ডটকমঃ গত ২ মার্চ সোমবার রাতেই নির্মমভাবে খুন করা হয় নিরীহ চা শ্রমিক বিশু মুন্ডাকে। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিশুর লাশ উদ্ধার করেন চুনারুঘাটের পুলিশ এবং বাগানের ২ মেম্বার ও পঞ্চায়েতের উপর তদন্ত করার অাদেশ দেওয়া হয় তদন্তে সফল নাহলে বুধবার রাতেই চুনারুঘাট পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে থাকে বুধবার রাত ৮ টার সময় বিশু খাড়িয়া ও বুড়ু মুন্ডাকে পুলিশ জিঙ্গাসাবাদে জন্য চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যায় এবং সেদিন রাতে অনিল ঝরা কালা কে ও রাত ১১ টায় অাটক করা হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবারে সকালে বিষ্ণু ঝরাকে ও থানায় নেওয়া হয়। তিনদিনের মধ্য নালুয়া চা বাগানের চা শ্রমিক খুনের ঘটনায় দু’জনের স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছে আসামী বিশু খাড়িয়া।

৬ মার্চ শুক্রবার হবিগঞ্জের আমলি আদালত ২ এর সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল হাসান এর কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় সে।

স্বীকারোক্তিতে আসামী বিশু খাড়িয়া জানান, আসামি বিশু খাড়িয়ার মেয়ে গঙ্গামনি কে নালুয়া চা বাগানের পশ্চিমটিলায় বিয়ে দেন। আসামীর মেয়ের পরপর দুইটা বাচ্চা মারা যায়। বিশু খাড়িয়া কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে, কবিরাজ বলে নিহত বিষু মুন্ডা তার মেয়ের উপর টুটকা (যাদু) করায় মেয়ের বাচ্চা গুলো মারা যায়। এই কথা শুনে আসামীর মাথা গরম হয়ে যায়। সে তাকে মারার জন্য বিভিন্ন ভাবে ওত পেতে থাকে।

গত ০২-০৩-২০২০ ইং সোম বার পাশের গ্রামের মুলু সাওতালের বাড়ীতে তার ছেলের বিয়েতে যায় তারা । সেখানে আরো লোকজনের সাথে আসামি ও তার বায়রা ললির ছেলে কালা ঝরা, বিশু মুন্ডা ও ছিল। বিয়ে বাড়ীতে খাওয়া দাওয়া ও গান বাজনা শেষে বুড়ু মুন্ডার বাড়ীতে সবাই হারিয়া (মদ) খায়।

বিয়ে বাড়ীতে গান গাওয়া নিয়ে আসামি আর বিষু মুন্ডার মধ্য কথা কাটাকাটি হয়।পরে রাত ১১.০০ টার দিকে হারিয়া (মদ) খাওয়া শেষে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা ঝরা নিহত বিশু কে নিয়া বট গাছের নিচে আসে। পরে পাশের খলা হতে বাশ আনিয়া প্রথমে কালা ঝরা নিহত বিষু মুন্ডার মাথায় দুটি আঘাত (বারি) করে। আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালার হাত থেকে বাশ নিয়া নিহত বিশু মুন্ডার মাথায় একটি (বারি) আঘাত করে।

বিশু মুন্ডা মাটিতে পড়ে গেলে বিশুর গলার মাফলার দিয়া আসামি ও কালা তার গলায় পেচিয়ে ফাঁস লাগায়।

পরে আসামি বিশু খাড়িয়া ও কালা বিশু মুন্ডার লাশ তার গলার মাফলারে ধরিয়া টানিয়া পাশের দুমদুমিয়া বিলের পাড়ে ফেলে দেয়।

পরে তারা বাড়ীতে চলে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩ মার্চ সকালে নালুয়া চা বাগানের পিকনিক স্পট দুমদুমিয়াতে বিশু মুন্ডার লাশ পাওয়া যায়। পরে সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে ওসি তদন্ত চম্পক দাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই শহিদুল ইসলাম তদন্ত করে তিন দিনের মধ্য ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে ঘটনা স্বীকারোক্তি নেন।

নালুয়ার চা শ্রমিকের হত্যাকারী গ্রেফতার স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিলেন অাসামীরা